জীববিজ্ঞান
বহুবিভাজন কাকে বলে?
যে পদ্ধতিতে এককোষী প্রাণীরা বার বার বিভাজিত হয়ে অসংখ্য অপত্য প্রাণীর সৃষ্টি করে তাকে বহু বিভাজন বলে। যেমন – এন্টামিবা (Entamoeba histoloytica), প্যারামেসিয়াম (Paramacium caudatum) ইত্যাদি।
মাইক্রো বা বৃহত্তম প্রাণী কাকে বলে?
যেসব প্রাণী আকৃতিতে বড়, খালি চোখে দেখা যায় তাদের ম্যাক্রো বা বৃহত্তম প্রাণী বলে।উদাহরণঃ Duttaphrynus melanostictus (কুনোব্যাঙ), Homo sapiens (মানুষ) ইত্যাদি।
ক্রোমাটিন তন্তু কাকে বলে?
নিউক্লিওপ্লাজমে অবস্থিত প্যাঁচানো সুতার মতো গঠনটি ক্রোমাটিন তন্তু বা নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম নামে পরিচিত। কোষ রঞ্জিত করণের সময় এগুলো কিছু মৌলিক বর্ণে রঞ্জিত হয় বলে এদের ক্রোমাটিন নামকরণ করা হয়েছে।ক্রোমাটিন বস্তু DNA ও হিস্টোন ধরনের প্রোটিন নিয়ে গঠিত।
জাইগোট কাকে বলে?
একটি পুরুষ গ্যামেট (gamete) এবং স্ত্রী গ্যামেট উভয় একত্রিত হয়ে নিষেকের মধ্য দিয়ে যায় এবং একটি নতুন কোষ গঠন করে। একে জাইগোট বলা হয়। এটি একটি নতুন উন্নত ভ্রূণের প্রাথমিক পর্যায়। জাইগোটে ডিপ্লয়েড সংখ্যক ক্রোমোজোম (Chromosome) থাকে যার এক সেট (Set) আসে হ্যাপ্লয়েড সংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট ডিম্বাণু থেকে এবং অন্য সেটটি আসে ও হ্যাপ্লয়েড সংখ্যক … Read more
কোষ বিভাজন এবং তার প্রকারভেদ (Cell Division and its Classifications)
প্রতিটি জীবদেহ কোষ দিয়ে তৈরি। একটিমাত্র কোষ দিয়ে প্রতিটি জীবের জীবন শুরু হয়। বিভাজনের মাধ্যমে কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি জীবদেহের একটি স্বাভাবিক এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। কোষ বিভাজনঃযে প্রক্রিয়ায় জীবের বৃদ্ধি ও জননের উদ্দেশ্যে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে তাকে কোষ বিভাজন বলে। কোনাে কোনাে জীবের দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত, এদের বলা হয় এককোষী (unicellular) জীব, যেমন … Read more
সাইটোপ্লাজম কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য ও কাজ
সাইটোপ্লাজম কাকে বলে? কোষের প্রোটোপ্লাজমের নিউক্লিয়াসের বাইরে জেলির মতো অংশকে সাইটোপ্লাজম বলে। এটি প্রধানত আমিষ দ্বারা গঠিত। ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে সাইটোপ্লাজমে যে সকল অঙ্গাণু দেখা যায় তা হলো – মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড (উদ্ভিদ কোষে), সেন্ট্রোসোম (প্রাণী কোষে), সেন্ট্রিয়োল (প্রাণী কোষে), রাইবোসোম, গলগি বডি, অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকা, কোষ গহ্বর, লাইসোসোম ইত্যাদি। সর্বপ্রথম ১৮৬২ সালে বিজ্ঞানী রুডলফ ভন … Read more
রক্ত কাকে বলে? রক্তের উপাদান ও রক্ত কণিকা
রক্ত কাকে বলে? রক্ত হলো এক ধরনের তরল যোজক কলা, যা অস্বচ্ছ ক্ষারীয় এবং লবণাক্ত তরল পদার্থ।রক্তে তিন ধরনের কণিকা রয়েছে, তার মধ্যে লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়। হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্তকণিকার জন্ম হয়। রক্তের উপাদান রক্তের উপাদান দুইটি। যথাঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা। রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্ত রস … Read more