বিশোধন কি?
কোনো যৌগের মধ্যে উপস্থিত অপদ্রব্য পদার্থকে অপসারণ করে যৌগটিকে বিশুদ্ধরূপে সংগ্রহ করার পদ্ধতিকে বিশোধন বলে।
কোনো যৌগের মধ্যে উপস্থিত অপদ্রব্য পদার্থকে অপসারণ করে যৌগটিকে বিশুদ্ধরূপে সংগ্রহ করার পদ্ধতিকে বিশোধন বলে।
দেহত্বকের বিশেষ সুরক্ষা ও যত্নের জন্য মুখে ও দেহের বিশেষ বিশেষ অংশে বিভিন্ন পদার্থের যে প্রলেপ ব্যবহার করা হয় তাকে প্রসাধনী বলে।
কোনো বিক্রিয়ায় যে পরিমাণ তাপশক্তি নির্গত বা শোষিত হয় তাকে ঐ বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ বলে।
যে বৃষ্টির পানির pH মান 5.5 এর নিচে, সেটিই হলো এসিড বৃষ্টি। ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন উৎস থেকে বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাস ও নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গ্যাস মুক্ত হয়। এসব গ্যাস বাতাসে উপস্থিত পানির সাথে বিক্রিয়ায় এসিড উৎপন্ন করে। উপযুক্ত এসিডগুলো বৃষ্টির পানির সাথে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয়। একেই এসিড বৃষ্টি বলে।
যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে তড়িৎ বিশ্লেষ্যরূপে তরলের পরিবর্তে NH4Cl, MnO2 এবং স্টার্চ মিশ্রিত কাই ব্যবহার করা হয় তাকে শুষ্ক কোষ (dry cell) বলে।
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে। যে সকল পরমাণু, মূলক বা আয়ন রাসায়নিক বিক্রিয়াকালে ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলা হয়। যেমন: Cl + e– → Cl– এই বিক্রিয়ায় ক্লোরিন পরমাণু (Cl) একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করেছে। সুতরাং Cl পরমাণু একটি জারক। উদাহরণঃ হ্যালোজেনসমূহ(X2), O2, O3, H2O2, MnO2, PbO2, HNO3, গাঢ় H2SO4, … Read more
প্রোবায়োটিকস মূলত রাসায়নিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাছাইকৃত কিছু অণুজীব যা খাদ্যবস্তুতে অনুমোদিত পরিসরে ব্যবহার করলে তা অণুজীবের সংক্রমণ রোধ করে।
তড়িৎ রাসায়নিক কোষের অ্যানোড ও ক্যাথোড ভিন্ন পাত্রে তৈরি করা হলে তাদের পরোক্ষ সংযোগ দেবার জন্য বাঁকা কাঁচনলের লবণের দ্রবণ পূর্ণ যে ব্যবস্থা করা হয় তাকে লবণ সেতু বলে। আরো পড়ুনঃ