স্ক্যানডেনিয়াম অবস্থান্তর ধাতু নয় কেন?

যেসকল মৌলের কোন স্থিতিশীল আয়নের সর্ববহিঃস্থ d-অরবিটাল আংশিক পূর্ণ (d¹ – d⁹) থাকলে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বা অবস্থান্তর ধাতু বলে।  স্ক্যানডেনিয়াম এর স্হিতিশীল আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপঃ  Sc³+ (21) —-> 1s² 2s² 2p⁶ 3s² 3p⁶  ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়, Sc³+ এর স্থিতিশীল আয়নে d- অরবিটালে কোন ইলেকট্রন থাকে না।কাজেই স্ক্যানডেনিয়াম অবস্থান্তর ধাতু নয়। তাই বলা … Read more

আয়রন অবস্থান্তর ধাতু কেন?

যেসকল মৌলের কোন স্থিতিশীল আয়নের সর্ববহিঃস্থ d-অরবিটাল আংশিক পূর্ণ (d¹ – d⁹) থাকলে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বা অবস্থান্তর ধাতু বলে।  আয়রন এর স্হিতিশীল আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপঃ  Fe²+ (26): 1s² 2s² 2p⁶ 3s² 3p⁶ 3d⁶ ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়, Fe²+ এর স্থিতিশীল আয়নে d- অরবিটালে ইলেকট্রন দ্বারা আংশিক পূর্ণ থাকে। কাজেই আয়রন অবস্থান্তর ধাতু।  … Read more

জিংক অবস্থান্তর ধাতু নয় কেন?

যেসকল মৌলের কোন স্থিতিশীল আয়নের সর্ববহিঃস্থ d-অরবিটাল আংশিক পূর্ণ (d¹ – d⁹) থাকলে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বা অবস্থান্তর ধাতু বলে।  জিংক এর স্হিতিশীল আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপঃ  Zn²+ (30) —-> 1s² 2s² 2p⁶ 3s² 3p⁶ 3d¹º ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়, Zn²+ এর স্থিতিশীল আয়নে d- অরবিটালে ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে। কাজেই জিংক অবস্থান্তর ধাতু … Read more

d-ব্লক মৌলের বৈশিষ্ট্য।

d-ব্লক মৌলের বৈশিষ্ট্য গুলি নিম্নরূপঃ ১. d- ব্লক মৌল পর্যায় সারণিতে গ্রুপ 3 থেকে গ্রুপ 12 এর অন্তর্ভুক্ত।২. d- ব্লক মৌল গুলির বহিঃস্থ দুটি শক্তিস্তরের ইলেকট্রনীয় কাঠামো  (n-1)d ns. ৩. d- ব্লক মৌল গুলি সবগুলো ধাতু।  ৪. সব অবস্থান্তর মৌল d- ব্লক মৌলের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব d-ব্লক মৌল অবস্থান্তর মৌল নয়।  ৫. d- ব্লক মৌল … Read more

সকল d-ব্লক মৌল অবস্থান্তর মৌল নয় কেন?

যে সকল মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে এর সর্বশেষ ইলেকট্রন d- অরবিটালে প্রবেশ করে তাদেরকে d-ব্লক মৌল বলা হয়। আবার, যেসব d- ব্লক মৌলের কোন স্থিতিশীল আয়নের ইলেকট্রনীয় কাঠামো আংশিক পূর্ণ অর্থাৎ d – d হলে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলে।  এক্ষেত্রে স্ক্যানডেনিয়াম, জিংক ও আয়রন এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপঃ  Sc (21)—> 1s² 2s² 2p⁶ 3s² 3p⁶ 4s² 3d¹ Zn(30)—> … Read more

অ্যামোনিয়ার সঙ্গে পানির বিক্রিয়া

অ্যামোনিয়ার সঙ্গে পানির বিক্রিয়া। অ্যামোনিয়া গ্যাসকে পানিতে দ্রবীভূত করলে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের দ্রবণ উৎপন্ন করে। NH₃ + H₂O —–> NH₄OH

নাইট্রোজেনের সাথে ম্যাগনেসিয়ামের বিক্রিয়া।

নাইট্রোজেনের সাথে ম্যাগনেসিয়ামের বিক্রিয়া।  লোহিত তপ্ত তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে  ম্যাগনেসিয়ামের  এর সঙ্গে নাইট্রোজেন বিক্রিয়া করে  ম্যাগনেসিয়াম  নাইট্রাইড গঠন করে। 3Mg + N₂ ——> Mg₃N₂

error: Content is protected !!