পদার্থের অবস্থার ধরণ
পদার্থের অবস্থা তিনটি। যথাঃ-
পদার্থের অবস্থা তিনটি। যথাঃ-
মোম হলো বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ।
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অধিক চাপ প্রয়োগে সংকুচিত করে যে জ্বালানি তৈরি করা হয়, তাকে CNG বলে। এর পূর্ণরূপ হলো Compressed Natural Gas। ইথেন ও অন্যান্য হাইড্রোকার্বনসহ 85-95% মিথেনযুক্ত এ গ্যাসের নাম প্রাকৃতিক গ্যাস।
বিভিন্ন প্রকার গ্যাসকে চাপ প্রয়োগ করে সংকুচিত করার মাধ্যমে তরলে পরিণত হয়। এ তরলকে নির্দিষ্ট আকৃতির সিলিন্ডারে ভরে রাখা হয়। যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাসকে চাপ প্রয়োগ করে সিএনজি-তে পরিণত করে, যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। যেমন- পাকা কাঁঠালের সুগন্ধ ত্বকের ছিদ্র পথ দিয়ে বের হয়ে আসা।
কোনো আধারের গায়ে গ্যাসীয় কণাসমূহ যে চাপ প্রদান করে তাকে গ্যাসের চাপ বলে।
যেসব পদার্থে তাপ প্রদান করলে কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয় এবং ঠান্ডা করলে শীতলকরণ গ্যাসীয় অবস্থা থেকে কঠিনে রূপান্তরিতহয় তাদেরকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে। যেহেতু কর্পূরকে তাপ দিলে ইহা কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয় এবং ঠান্ডা করলে শীতলীকরণে গ্যাসীয় অবস্থা থেকে কঠিনে রূপান্তরিত হয়। তাই কর্পূরকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।
পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন দু’টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যথাঃ