প্রিজারভেটিভস হিসেবে চিনি ও লবণের ভূমিকা কী?

প্রিজারভেটিভস বা প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে চিনি ও লবণের উভয়ই অণুজীবের উপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে থাকে। খাদ্য সংরক্ষণ 15% বা তার বেশি NaCl দ্রবণ ব্যবহার করলে এবং চিনির ঘনত্ব বেশি থাকলে খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে এরা বেশি কার্যকর হয়। এরা উভয়ই খাদ্যের পানিকে দ্রবণে পরিণত করে। তাই অণুজীব মুক্ত পানি না পাওয়ায় বংশবিস্তার করতে পারে … Read more

হেয়ার জেলে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয় কেন?

হেয়ার জেলে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয়, তা মূলত বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়। যেমন – আমলা, অ্যালোভেরা, কোকোয়া ইত্যাদি। এসব এসেনশিয়াল অয়েল গাছপালার পাতা, কাণ্ড, মূল, ফুলের পাঁপড়ি ইত্যাদির নির্যাস হতে সংগ্রহ করা হয়। তাই এসব অয়েল বেশ পুষ্টি গুণসম্পন্ন ও সুগন্ধযুক্ত হয়ে থাকে। এসকল কারণেই মূলত হেয়ার জলে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার … Read more

শাক সবজি সংরক্ষণে ভিনেগার ব্যবহৃত হয় কেন?

শাক সবজি দ্রুত পঁচনশীল। ভিনেগারে শাক সবজি সংরক্ষণ করলে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় এবং এর বর্ণ, পুষ্টি, ভিটামিন অক্ষুণ্ন থাকে। ভিনেগার শাক-সবজিতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম, লোহা, ফসফরাস প্রভৃতিতে মুক্ত করে শরীরে গ্রহণের উপযোগী করে তোলে। তাই শাক সবজি সংরক্ষণে ভিনেগার ব্যবহার করা হয়।

রোগ প্রতিরোধে ভিনাগারের ভূমিকা কী?

খাদ্যের সাথে সঠিক মাত্রায় ভিনেগার গ্রহণ করলে শারীরিক বহুমাত্রিক উপকার সাধিত হয়। এটি খাবারের রুচি আনে, রক্ত সঞ্চালন বহুমাত্রিক উপকার সাধিত হয়। এটি খাবারের রুচি আনে, রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়, হজম শক্তি বাড়ায়, শরীরে সৃষ্ট তরল অপদ্রব্য নিঃসরণ সহজ করে দেয়, রক্তের অপ্রয়োজনীয় চর্বি বিদূরিত করে শরীরকে স্লিম রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তচাপ ও রক্তের … Read more

বাফার দ্রবণ কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?

বাফার দ্রবণ কাকে বলে? যে দ্রবণে সামান্য পরিমাণে এসিড, ক্ষার যোগ করলেও দ্রবণের pH মান অপরিবর্তিত থাকে তাকে বাফার দ্রবণ বলে। সাধারণত কোন দুর্বল অম্ল বা ক্ষার এবং এর লবণ দিয়ে বাফার দ্রবণ তৈরি করা হয়।  যেমনঃ CH3COOH + CH3COONa অম্লীয় বাফার; H2CO3 + NaHCO3 ক্ষারীয় বাফার। এটি কার্বনেট বাফার বা কার্বনেট-বাইকার্বোনেট নামে পরিচিত। বাফার দ্রবণের প্রকারভেদ … Read more

আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর কাকে বলে?

কোনো মৌলের আইসোটোপগুলোর শতকরা পর্যাপ্ততার পরিমাণকে গড় করলে যে ভর পাওয়া যায় তাকে ঐ মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর বলে। সাধারণ অবস্থায় মৌলের আইসোটোপগুলো এমন অনুপাতে থাকে যে, এগুলোর ভরের গড় হিসেবে পারমাণবিক ভর পূর্ণসংখ্যার না হয়ে ভগ্নাংশ হয়। যেমন- ক্লোরিনের দুটি আইসোটোপ হলো- 35Cl এবং 37Cl। এদের প্রত্যেকের ভর পূর্ণসংখ্যার হয়। কিন্তু পর্যাপ্ততার দিক থেকে … Read more

error: Content is protected !!