ভিনেগার কাকে বলে? তৈরি, ব্যবহার ও বিভিন্ন ধরণ

ভিনেগার কাকে বলে? ভিনেগার হলো এসিটিক অ্যাসিড (CH3COOH) এর 6-10% (বিজ্ঞানীদের মতে 4-10% স্বল্প পরিমাণ) পানির মিশ্রণ। এটি সাধারণত রান্নায় ব্যবহৃত হয়।  ভিনেগার তৈরি ভিনেগার বিভিন্ন উপায়ে তৈরি করা হয়, তবে সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি হলো চিনি বা ইথানলকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসিটিক অ্যাসিডে পরিণত করা। ভিনেগার দুটি প্রধান পদক্ষেপে তৈরি করা হয়: ভিনেগারের ব্যবহার ভিনেগারের … Read more

সংকরায়ন কাকে বলে? রসায়ন

সংকরায়ন কাকে বলে? রসায়নে, সংকরায়ন হল দুই বা ততোধিক ভিন্ন কিন্তু কাছাকাছি শক্তি সম্পন্ন অরবিটাল একত্রে মিলিত হয়ে, একই শক্তি সম্পন্ন সমান সংখ্যক নতুন অরবিটাল তৈরির প্রক্রিয়া। এই নতুন অরবিটালগুলিকে সংকর অরবিটাল বলা হয়। সংকরায়নের ফলে ইলেকট্রন বিন্যাস পরিবর্তিত হয় এবং এটি রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতি নির্ধারণ করে। সংকরায়নের প্রকারভেদ সংকরায়নের প্রকারভেদ নির্ভর করে সংকর অরবিটালগুলির … Read more

নমনীয়তা কাকে বলে? ডাকটিলিটি কাকে বলে?

নমনীয়তা কাকে বলে? নমনীয়তা হল একটি পদার্থের এমন বৈশিষ্ট্য যা বাইরে থেকে প্রয়োগ করা টান, চাপ বা সংকোচনের অধীনে রূপ পরিবর্তিত হওয়ার পরে তার প্রাথমিক আকার এবং আকৃতি পুনরুদ্ধার করার ক্ষমতা।  নমনীয়তার প্রকারভেদ নমনীয়তা দুটি ধরণের হতে পারে। যথাঃ প্রসার্যতাঃ প্রসার্যতা হল এমন পদার্থের নমনীয়তার পরিমাপ যা টানজনিত বলের অধীনে রূপবিকার করতে পারে। প্রসার্য পদার্থগুলিকে প্রসারিত … Read more

রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে? উদাহরণ, প্রকারভেদ, রাসায়নিক বিক্রিয়া ত্বরান্বিত করার উপায়

রাসায়নিক বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এক বা একাধিক পদার্থ একত্রিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে রূপান্তরিত হয়। এই নিবন্ধে আমরা রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব, যেমন: রাসায়নিক বিক্রিয়া কী, রাসায়নিক বিক্রিয়ার উদাহরণ, রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রভাবক, রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রকারভেদ, ইত্যাদি। রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে? রাসায়নিক বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে … Read more

রেডক্স বিক্রিয়া কাকে বলে? উদাহরণ, বৈশিষ্ট্য, শ্রেণিবিভাগ

রেডক্স বিক্রিয়া কী? রেডক্স বিক্রিয়া হল এমন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া যেখানে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে। “রেডক্স” শব্দটি “রেডিউশন” এবং “অক্সিডেশন” শব্দ দুটির সংমিশ্রণ। রেডিউশন হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি পরমাণু বা আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে। অক্সিডেশন হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি পরমাণু বা আয়ন ইলেকট্রন হারায়। রেডক্স বিক্রিয়ায়, একটি পদার্থ ইলেকট্রন হারায় এবং অন্য … Read more

জলকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয় কেন?

জলকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয় কারণ এটি অন্যান্য যেকোনো তরলের চেয়ে পদার্থ দ্রবীভূত করতে বেশি সক্ষম। জলের এই বৈশিষ্ট্যটিকে পোলারিটি বলে। জলের অণুতে একটি ধনাত্মক প্রান্ত এবং একটি ঋণাত্মক প্রান্ত থাকে। এই পোলারিটি অন্যান্য পদার্থের অণুগুলির সাথে আকর্ষণ তৈরি করে এবং সেগুলিকে জলে দ্রবীভূত করে। জলে দ্রবীভূত হয় এমন পদার্থের উদাহরণ জল দ্রবীভূত করতে পারে … Read more

সমযোজী যৌগ কাকে বলে? সমযোজী যৌগের বৈশিষ্ট্য | সমযোজী যৌগ চেনার উপায়

সমযোজী যৌগ কাকে বলে? সমযোজী যৌগ হল এমন একটি যৌগ যেখানে পরমাণুসমূহ তাদের নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে আবদ্ধ থাকে। সমযোজী বন্ধন দ্বারা আবদ্ধ পরমাণুসমূহের মধ্যে ইলেকট্রনগুলি সাধারণভাবে ভাগ করে নেওয়া হয়। সমযোজী যৌগের বৈশিষ্ট্য ১) ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে পরমাণুসমূহ আবদ্ধ থাকে: সমযোজী যৌগের পরমাণুসমূহ তাদের নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে আবদ্ধ থাকে। ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে … Read more

বিস্ফোরক পদার্থগুলো কি কি?

বিস্ফোরক পদার্থ হলো এমন এক ধরনের পদার্থ যাতে অল্প পরিমাণ শক্তি প্রয়োগে দ্রুত এবং প্রচণ্ড শক্তির বিস্ফোরণ ঘটানো যায়। বিস্ফোরক পদার্থের মধ্যে উচ্চমাত্রার শক্তি সঞ্চিত থাকে, যা বিস্ফোরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। হঠাৎ করে খুবই অল্প সময়ের মাঝে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে এ বিপুল পরিমাণ শক্তি প্রকাশ পায়। যা আলো, তাপ, শব্দ, এবং চাপ শক্তি আকারে প্রকাশ … Read more

error: Content is protected !!