রাসায়নিক নিক্তি কাকে বলে?
যে নিক্তি দ্বারা কয়েক গ্রাম বা কয়েক মিলিগ্রাম ওজন নির্ভুলভাবে পরিমাণ করা যায় তাকে রাসায়নিক নিক্তি বা রিপ্রেষণীয় নিক্তি বলা হয়।
যে নিক্তি দ্বারা কয়েক গ্রাম বা কয়েক মিলিগ্রাম ওজন নির্ভুলভাবে পরিমাণ করা যায় তাকে রাসায়নিক নিক্তি বা রিপ্রেষণীয় নিক্তি বলা হয়।
ল্যাবরেটরি বৈজ্ঞানিক চিন্তার বাস্তব প্রমাণের উপযুক্ত স্থান। এখানেই সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয়। ল্যাবরেটরির নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি ও তা অক্ষুন্ন রাখতে হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অবশ্যই কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। এ নিয়মগুলোকে সোনালি বিধি (Golden Rules) বলে। নিয়মগুলো হলো – নিয়মানুবর্তিতা, যত্নশীলতা, অধ্যবসায়, পরিশ্রমী, সুবিবেচনা ও পরিচ্ছন্নতা।
সেমি-মাইক্রো পদ্ধতির সুবিধা এ পদ্ধতির বেশ কিছু সুবিধা আছে- ১) সেমি-মাইক্রো পদ্ধতিতে অপেক্ষাকৃতভাবে অল্প পরিমাণ রাসায়নিক উপাদানের ব্যবহার হয়। ২) এ পদ্ধতিতে বিভিন্ন ভৌত প্রক্রিয়া যেমন – পৃথকীকরণ, ধৌতকরণ প্রভৃতি দ্রুত সম্পন্ন হয়। ৩) সময় কম লাগে এবং পরীক্ষার আর্থিক ব্যয় যথেষ্টভাবে কম হয়। উৎপন্ন রাসায়নিক বর্জ্যের পরিমাণও অপেক্ষাকৃতভাবে কম হয়। ফলে পরিবেশ দূষণের মাত্রা … Read more
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো দ্রবের এক লিটার দ্রবণে 0.1 mol দ্রব দ্রবীভূত থাকলে উক্ত দ্রবণকে ঐ দ্রবের ডেসিমোলার (0.1 M) দ্রবণ বলে।
1 L বা 1000 mL দ্রবণে 1 গ্রাম-তুল্য ভরের কোনো দ্রব দ্রবীভূত থাকলে, ঐ দ্রবণকে নরমাল দ্রবণ বলা হয়। নরমাল দ্রবণকে N প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
সূক্ষ্ম ধাতব তারের আকৃতিবিশিষ্ট বাকানো তার যা নিক্তির বীমের ওপর দিয়ে চলাচল করতে পারে তাকে রাইডার বা আরোহী বলা হয়।
অবস্থান্তর ধাতুসমূহ যৌগ গঠনকালে তাদের সর্বশেষ কক্ষপথের d অরবিটালে ইলেকট্রনের ডিজেনারেশন ঘটে। তাই এদের যৌগসমূহ (সিলিকেটসমূহ) রঙিন হয়। এ কারণে রঙিন কাচ তৈরিতে অবস্থান্তর ধাতুর অক্সাইড ব্যবহার করা হয়।
MnO2 একটি বিজারক। কাচে FeO, Fe2O3 প্রভৃতি থাকলে তাতে অনাকাঙ্খিত বর্ণ দেখা দেয়। MnO2 আয়রনের অক্সাইডসমূহকে বিজারিত করে বর্ণ দূর করে। তাই কাচকে বর্ণহীন করার জন্য MnO2 ব্যবহার করা হয়।