সমবায়ের প্রধান নীতিটি ব্যাখ্যা কর।

সমবায়ের প্রধান নীতিটি হলো একতা। এ নীতির ভিত্তিতে সমবায় ব্যবসায়ের উৎপত্তি হয়েছে। সমমনা, সমপেশা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে সমশ্রেণির লোকদের একতাই হলো এ নীতির মূলকথা। প্রত্যেক সমবায় সদস্যকে বুঝতে হয় একতাই বল। তাই এটি বিনষ্ট হয় এমন কোনো কাজ থেকে সদস্যদের বিরত থাকা আবশ্যক।

রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কীভাবে পরিচালিত হয়?

রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায় হলো রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়। এ ধরনের ব্যবসায় সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধানের অধ্যাদেশ বা জাতীয় সংসদে বিল পাশের মাধ্যমে গঠিত হয়। এ ব্যবসায়ের মালিকানা সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রের ওপর ন্যাস্ত থাকে। সাধারণত এর মূলধন সরকারই সরবরাহ করে থাকে। তবে কোনো কোনো অবস্থায় সরকার জনগণের কাছে  আংশিক শেয়ার বিক্রি করতে পারে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান সরকারের … Read more

একমালিকানা ব্যবসায়ের দায় অসীম কেন?

একক মালিকানায় গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায় হলো একমালিকানা ব্যবসায়। এ ব্যবসায়ের মালিক একজন। তিনিই ব্যবসায়ের সব ঝুঁকি বহন করেন। ব্যবসায়ের মুনাফা তিনি একাই ভোগ করেন। আবার, দায় বা ক্ষতির জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকেন। এতে ব্যবসায়ের সব দায়-দায়িত্ব মালিকের একার হয়ে থাকে। তাই একমালিকানা ব্যবসায়ের দায় অসীম।

যেকোনো স্থানে একমালিকানা ব্যবসায় গঠন সহজ কেন?

একক মালিকানায় গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায় হলো একমালিকানা ব্যবসায়। এ ব্যবসায় গঠনে সরকারি কোনো আইনগত বাধা-নিষেধ নেই। তাই কোনো আনুষ্ঠানিকতার কোনো প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজনীয় মূলধন সরবরাহ সাপেক্ষে সহজে এ ব্যবসায় গঠন করা যায়। তাই যেকোনো স্থানে একমালিকানা ব্যবসায় স্থাপন করা সহজ।

একমালিকানা ব্যবসায় সবচেয়ে জনপ্রিয় কেন?

যে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান একক ব্যক্তির মালিকানায় গঠিত ও পরিচালিত হয়, তাকে একমালিকানা ব্যবসায় বলে। এ ব্যবসায় সহজে গঠন করা যায়। এতে কোনো আইনগত ঝামেলা নেই। স্বল্প পুঁজি নিয়ে যে কেউ স্বাধীনভাবে এ ব্যবসায় গঠন করতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজেই সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে সফলতা পেতে পারেন। মালিক নিজেই এ ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। এসব সুবিধার জন্য … Read more

চুক্তিই অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি

কোনো বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে সৃষ্ট মতের ঐক্যকে চুক্তি বলে। অংশীদারি চুক্তি লিখিত এবং মৌখিক কিংবা লিখিত ও নিবন্ধিত হতে পারে। অংশীদারদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ ব্যবসায় সম্পর্কিত যাবতীয় নিয়ম, বিলোপসাধন, বিবাদ মীমাংসাসহ বিভিন্ন বিষয় চুক্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়। চুক্তি থেকেই অংশীদারি ব্যবসায় জন্মলাভ করে এবং অংশীদারি ব্যবসায়ের সব কিছু চুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। … Read more

অংশীদারি চুক্তিপত্র কাকে বলে?

অংশীদারদের মধ্যকার চুক্তির বিষয়বস্তু যে দলিলে লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে অংশীদারি চুক্তি বলে। চুক্তি অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি। এই চুক্তি হতে পারে মৌখিক, লিখিত এবং লিখিত ও নিবন্ধিত। এর লিখিত রূপকে চুক্তিপত্র বলে। অংশীদারি চুক্তিপত্র এ ধরনের ব্যবসায় পরিচালনার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে। এর বিষয়বস্তু এমনভাবে ঠিক করা হয়, যাতে যেকোনো সমস্যার সমাধান পাওয়া … Read more

অংশীদারি ব্যবসায় কাকে বলে?

দুই থেকে বিশ জন ব্যক্তি (ব্যাংকিং ব্যবসায়ে সর্বোচ্চ দশ জন) স্বেচ্ছায় মূলধন সরবরাহ করে চুক্তির ভিত্তিতে যে ব্যবসায় গড়ে তোলে, তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে। এ ব্যবসায়ের জন্য কোনো বিধিবদ্ধ আইন প্রচলিত নেই। তাই চুক্তি সম্পাদনে যোগ্য একাধিক ব্যক্তি চুক্তির মাধ্যমে যেকোনো পরিমাণ মূলধন নিয়ে সহজে ব্যবসায় গঠন করতে পারে। তবে সরকারি নিয়ম অনুসারে অংশীদারি ব্যবসায় … Read more

error: Content is protected !!