প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির দুটি সুবিধা

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির দুটি সুবিধা হলো সীমাবদ্ধ দায় ও চিরন্তন অস্তিত্ব। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির সদস্য বা শেয়ারহোল্ডারদের দায় তাদের বিনিয়োগ করা মূলধন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। এছাড়া এটি কোম্পানি আইনের মাধ্যমে গঠিত হয় ও আইনের মাধ্যমে টিকে থাকে। এজন্য সদস্যদের দেউলিয়াত্ব ও মৃত্যুজনিতকারণে এটি বিলুপ্ত হয় না। ফলে এটি চিরন্তন অস্তিত্বের মর্যাদা লাভ করে।

অংশীদারের অসীম দায় সম্পর্কে লেখ।

অংশীদারি ব্যবসায়ে নিয়োজিত মূলধনের বাইরেও অংশীদারদের দায় সৃষ্ট হওয়াকে অংশীদারদের অসীম দায় বলে। এক্ষেত্রে ব্যবসায়িক দায়ের জন্য ব্যক্তিগত সম্পদ দায়বদ্ধ হয়ে থাকে। এ দায়ের কারণে দেনা পরিশোধের জন্য ব্যবসায়িক সম্পদ যথেষ্ট না হলে অংশীদার দেউলিয়া হলে তার দায়ও অবশিষ্ট অংশীদারদের বহন করতে হয়। তাই অংশীদারী ব্যবসায়ের দায় অসীম।

অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন কাকে বলে?

সরকার কর্তৃক নিয়োজিত নিবন্ধন অফিসে অংশীদারি ব্যবসায়ের নাম তালিকাভুক্ত করা হলো অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন। নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধকের অফিস থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হয়। এরপর তা যথাযথভাবে পূরণের পর নির্ধারিত ফি-সহ জমা দিয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হয়। এতে নিবন্ধক কাগজপত্র যাচাই করে সন্তুষ্ট হলে পত্র দিয়ে নিবন্ধনের বিষয় জানিয়ে দেন। এটিই অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন।

সরকার কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়টি কী?

রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় সরকার কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এ ব্যবসায় রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধ্যাদেশ কিংবা জাতীয় সংসদে বিশেষ আইন পাসের মাধ্যমে গঠিত হয়। এ ব্যবসায়ের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ। রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় থেকে অর্জিত মুনাফা সরকারি কোষাগারে জমা হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে, ডাক বিভাগ, বাংলাদেশ বিমান প্রভৃতি রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের উদাহরণ।

যৌথমূলধনী কোম্পানিকে স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন বলা হয় কেন?

কয়েকজন ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে স্বেচ্ছায় আইনসম্মতভাবে যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠন করে। কোম্পানি ব্যবসায় করতে আগ্রহী কয়েকজন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সংঘবদ্ধ হয়ে এটি গঠন করে। যেকোনো সদস্য ইচ্ছা করলেই শেয়ার হস্তান্তর করে এ ব্যবসায় থেকে বিদায় নিতে পারে। আবার কেউ ইচ্ছা করলে শেয়ার কেনার মাধ্যমে এ ব্যবসায়ের সদস্য পদ পেতে পারে।  তাই … Read more

কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা কাকে বলে?

যে সত্তা বা অস্তিত্ব বলে কোম্পানি নিজ নামে গঠিত ও পরিচালিত হয়, তাকে কোম্পানির কৃত্রিম সত্তা বলে। যেকোনো কোম্পানি এর সদস্যের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আইন অনুযায়ী এটি কৃত্রিম ও স্বতন্ত্র ব্যক্তিসত্তার মর্যাদা ভোগ করে থাকে। ফলে কোম্পানি নিজ নামে অন্যের সাথে লেনদেন করতে পারে। এছাড়া কারো বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। একইভাবে অন্যরাও কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা … Read more

সমবায় গঠনের মুখ্য উদ্দেশ্য কী?

সদস্যদের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ই সমবায়ের মুখ্য উদ্দেশ্য। সমবায় সমিতি প্রতিষ্ঠার মূল কারণ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আর্থিক কল্যাণ সাধন এবং মধ্যস্থব্যবসায়ীর শোষণ থেকে মুক্তি পাওয়া। সমবায়ের মাধ্যমে নিম্নআয়ের লোকজন মধ্যস্থব্যবসায়ীর শোষণ থেকে রক্ষা পায়। তারা নিজেদের আর্থিক ও সামাজিক উন্নতি সাধন করে। সমবায় গঠনের ফলে সদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং সদস্যরা … Read more

সমবায় সমিতিকে কেন গণতান্ত্রিক সংগঠন বলা হয়?

যে সংগঠনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সকল সদস্যের সাথে আলাপ-আলোচনা করা হয় ও মতামতের মূল্যায়ন করা হয়, তাকে গণতান্ত্রিক সংগঠন বলে। এ সমিতির ক্ষেত্রে গণতান্ত্রের নীতিতে সদস্যদের অটল থাকতে হয়। এক্ষেত্রে সদস্যরা সব কাজে সকলের পরামর্শ নিয়ে থাকেন। এছাড়া সমিতি পরিচালনার ক্ষেত্রে সকলের অধিকার সমান থাকে। এখানে স্বেচ্ছাচারিতার কোনো সুযোগ থাকে না।  গণতান্ত্রিকভাবেই সমিতির সব সিদ্ধান্ত … Read more

error: Content is protected !!