গলনাংক কাকে বলে?
স্বাভাবিক চাপে (1 atm) যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে সেই পদার্থের গলনাংক বলে।
স্বাভাবিক চাপে (1 atm) যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে সেই পদার্থের গলনাংক বলে।
কোনো বস্তুর তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বলে। তাপধারণ ক্ষমতা বস্তুর উপাদান এবং ভরের উপর নির্ভরশীল। এর একক JK-1। কোনো বস্তুর তাপধারণক্ষমতা 10 JK-1 বলতে বুঝায় যে ঐ বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 10 J তাপের প্রয়োজন।
যে তাপ বস্তুর তাপমাত্রার পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেবল অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় তাকে ঐ বস্তুর সুপ্ততাপ বলে।
মাটির তৈরি কলসির গায়ে অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে, যার মধ্য দিয়ে পানি বাইরের দেয়ালে আসে। বাইরের দেয়ালের এই পানি পরে স্বতঃবাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় বাষ্পীভূত হয় এবং বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ত তাপ কলসির পানি হতে গ্রহণ করে। ফলে কলসির পানির তাপমাত্রা কমে যায়। তাই গ্রীষ্মকালে মাটির কলসির পানি ঠাণ্ডা থাকে।
পানির ত্রৈধবিন্দুর তাপমাত্রার 1/273.16 ভাগকে এক কেলভিন বলে।
পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম প্লাজমা। এই প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস।
প্রমাণ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলে পানি হয় অথবা বিশুদ্ধ পানি জমে বরফ হয় তাকে বরফ বিন্দু বলে।
বরফ গলনের আপেক্ষিক সুপ্ততাপ = 336000 Jkg-1 ।