পদার্থের তাপমাত্রিক ধর্ম কাকে বলে?
পদার্থের যে ধর্ম নিয়মিতভাবে পরিবর্তন হয় এবং এই পরিবর্তন লক্ষ করে সহজ ও সূক্ষ্মভাবে তাপমাত্রা নিরূপণ করা যায়, সেই ধর্মকে তাপমাত্রিক ধর্ম বলে।
পদার্থের যে ধর্ম নিয়মিতভাবে পরিবর্তন হয় এবং এই পরিবর্তন লক্ষ করে সহজ ও সূক্ষ্মভাবে তাপমাত্রা নিরূপণ করা যায়, সেই ধর্মকে তাপমাত্রিক ধর্ম বলে।
তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য যে সকল পদার্থের ধর্ম নিয়মিতভাবে পরিবর্তিত হয় ঐ সকল পদার্থকে তাপমাত্রিক পদার্থ বলে।
1 m দৈর্ঘ্যের কোনো কঠিন পদার্থের দণ্ডের তাপমাত্রা 1 K বৃদ্ধির ফলে যতটুকু দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় তাকে ঐ দণ্ডের উপাদানের দৈর্ঘ্য প্রসারণ সহগ বলে।
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলো স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়, সেই তরঙ্গকে অণুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে।
1 m2 ক্ষেত্রফলের কোনো কঠিন পদার্থের তাপমাত্রা 1 K বৃদ্ধি করলে যে পরিমাণ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায়, তবে ঐ পদার্থের ক্ষেত্র প্রসারণ সহগ বলে।
1 m3 আয়তনের কোনো কঠিন পদার্থের তাপমাত্রা 1 K বৃদ্ধি করলে বস্তুটিকে যে পরিমাণ আয়তন বৃদ্ধি ঘটে তাকে ঐ পদার্থের আয়তন প্রসারণ সহগ বলে। অথবা স্থির চাপে 0°C তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের তাপমাত্রা 0°C থেকে প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধিজনিত কারণে ঐ গ্যাসের প্রতি একক আয়তনে যে প্রসারণ ঘটে তাকে স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন প্রসারণ সহগ বলে।
গলনাঙ্কে তাপমাত্রা স্থির রেখে কোনো পদার্থকে কঠিন থেকে তরলে রূপান্তরিত করতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণকে গলনের সুপ্ত তাপ বলে। আমরা জানি, তাপ প্রয়োগের ফলে কঠিন পদার্থের তাপমাত্রা যখন গলনাঙ্কে পৌঁছায় তখন সম্পূর্ণ পদার্থ তরলে রূপান্তরিত হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রার আর পরিবর্তন হয় না। এখানে যে পরিমাণ তাপ কঠিন পদার্থকে তরল অবস্থায় রূপান্তর করল তাই গলনের সুপ্ততাপ।
১৯৬০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক বিমান পথে যেসব বিমান চলাচল করে তাতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। যেমন – ডিজিটাল ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। নিরাপত্তার জন্য যন্ত্র দুটিকে স্টিলের বাক্সে রাখা হয় এবং বাক্সে রাখা এ যন্ত্র দুটিকে ব্লাক বক্স বলা হয়। ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার 600 ft স্টেইনলেস স্টিল দ্বারা নির্মিত। যা … Read more