গড় আয়ুষ্কাল কাকে বলে?
কোনো নমুনায় প্রত্যেকটি পরমাণুর পৃথক পৃথক আয়ুর যোগফলকে পরমাণুর প্রাথমিক সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ঐ তেজস্ক্রিয় পদার্থের গড় আয়ু পাওয়া যাবে।
কোনো নমুনায় প্রত্যেকটি পরমাণুর পৃথক পৃথক আয়ুর যোগফলকে পরমাণুর প্রাথমিক সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ঐ তেজস্ক্রিয় পদার্থের গড় আয়ু পাওয়া যাবে।
কোন পরিবাহী তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে ঐ তারের চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনাকে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া বলে। ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (Hans Christian Oerested) তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন।
কোনো ধাতু খন্ডের ওপর ন্যূনতম যে দৈর্ঘ্যের তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ আপতিত হলে ইলেকট্রন অবমুক্ত হয়, তাকে সূচন তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে।
যেকোনো মুহূর্তে কোনো তেজষ্ক্রিয় পরমাণুর ভাঙনের হার ঐ সময়ে উপস্থিত অক্ষত পরমাণুর সংখ্যার সমানুপাতিক।
যে প্রক্রিয়ায় একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিশ্লিষ্ট হয়ে প্রায় সমান ভরের দুইটি নিউক্লিয়াস তৈরি করে এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, তাকে ফিশন বা নিউক্লিয়ার বিভাজন বলে।
একাধিক হালকা পরমাণুর নিউক্লিয়াসের যে সংযোগের ফলে প্রচণ্ড নিউক্লিয় শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বলে।
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে খুব সামান্য পরিমাণে ত্রি বা পঞ্চযোজী মৌলের মিশ্রণকে ডোপিং বলে। বিদ্যুৎ প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য ডোপিং করা হয়।
ডায়োডের মধ্যদিয়ে তড়িৎ প্রবাহ এর বায়াস বিভবের সমানুপাতিক নয়। তাই এর রোধের মান নির্দিষ্ট নয়। একটি নির্দিষ্ট বায়াস বিভবে এর মানের ক্ষুদ্র পরিবর্তন ও আনুষঙ্গিক প্রবাহের মানের পরিবর্তনের অনুপাতকে ঐ নির্দিষ্ট বায়াস বিভবে ডায়োডের গতীয় রোধ বলে।