লিথাল জিন কাকে বলে?
কোনো জিনের মিউটেশনের ফলে সৃষ্ট জিনকে যদি বাহক জীবের মৃত্যু ঘটায় তবে উক্ত মিউটেটেড জিনকে লিথাল জিন বলে।
কোনো জিনের মিউটেশনের ফলে সৃষ্ট জিনকে যদি বাহক জীবের মৃত্যু ঘটায় তবে উক্ত মিউটেটেড জিনকে লিথাল জিন বলে।
মৌলসমূহের পারমাণবিক সংখ্যাকে পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি ধরলে কিছু বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারে না। যেমন – প্রথম সারিতে মাত্র 2 টি মৌল, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারিতে মাত্র 8 টি মৌল, চতুর্থ ও পঞ্চম সারিতে 18 টি এবং ষষ্ঠ সারিতে 32 টি মৌলের অবস্থানের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে না। ষষ্ঠ ও সপ্তম সারিতে শুধুমাত্র গ্রুপ – … Read more
মৌলের পারমাণবিক ভরকে ভিত্তি ধরে মৌলসমূহকে সাজালে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মৌল একই শ্রেণিতে আসে। যেমন – পটাসিয়ামের পারমাণবিক ভর (39.1) আর্গনের (39.9) চেয়ে কম। সুতরাং সেক্ষেত্রে পটাসিয়ামের স্থান আর্গনের আগে হওয়া উচিত। ফলে ক্ষার ধাতুগুলোর সাথে নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গন স্থান পায় এবং নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের সাথে পটাসিয়াম স্থান পায়। সেক্ষেত্রে পর্যায় সারণির মূল উদ্দেশ্য বাতিল হয়ে … Read more
পর্যায় সারণির দুটি মৌলের পারমাণবিক ভরের গড় অন্য একটি মৌলের পারমাণবিক ভরের প্রায় সমান এবং মৌল তিনটির ধর্ম একই রকম। এই তিনটি মৌলকে পারমাণবিক ভর অনুসারে সাজালে প্রথম এবং তৃতীয় মৌলের ভরের গড় দ্বিতীয় মৌলের ভরের সমান হয়। মৌল তিনটিকে ‘ডোবেরাইনার ত্রয়ী’ বলে। যেমন – লিথিয়াম (7) ও পটাসিয়াম (39) এর পারমাণবিক ভরের গড় সোডিয়ামের … Read more
একই পর্যায়ে যতই বাম থেকে ডানদিকে যাওয়া যায় মৌলসমূহের ধাতু ধর্ম ততোই হ্রাস পায়। একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানদিকে যাওয়ার সময় মৌলের সর্ববহিঃস্থ কক্ষপথে নতুন কোনো কক্ষপথ যুক্ত হয় না। ফলে সর্বোচ্চ শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিউক্লিয়াসের কাছাকাছি অবস্থান করে। পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমে যাওয়ার কারণে এরা সহজে ইলেকট্রনসমূহ নিউক্লিয়াস কর্তৃক সজোরে আকৃষ্ট থাকার কারণে এদের সর্ববহিঃস্থ কক্ষপথ … Read more
যেকোনো গ্রুপে যতোই নিচের দিকে যাওয়া যায় পরমাণুর আকার ততোই বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ একই গ্রুপে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আকার বৃদ্ধি পায়। কারণ একই গ্রুপের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে যখন নতুন একটি শেল বা ইলেকট্রন স্তর যুক্ত হয় তখন তার আকার বৃদ্ধি পায়। একই গ্রুপে নিচের দিকে নামতে থাকলে পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে নতুন একটি … Read more
যেকোনো পর্যায়ে যতই ডানদিকে যাওয়া যায় পরমাণুর আকার ততোই হ্রাস পায়। অর্থাৎ একই পর্যায়ে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আকার হ্রাস পায়। এর কারণ হচ্ছে একই পর্যায়ে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে একটি করে ইলেকট্রন যুক্ত হয় কিন্তু ইলেকট্রন স্তর বাড়ে না। পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধি অর্থ নিউক্লিয়াসের ঋণাত্মক আধানের বৃদ্ধি। ফলে ইলেকট্রসমূহ নিউক্লিয়াস কর্তৃক … Read more
বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে বলে অর্ধ-তৎসম শব্দ। তৎসম মানে সংস্কৃত। আর অর্ধ-তৎসম মানে আধা সংস্কৃত। উদাহরণ : জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, বোষ্টম, কুচ্ছিত – এ শব্দগুলো যথাক্রমে সংস্কৃত জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিনী, বৈষ্ণব, কুৎসিত শব্দ থেকে আগত।