ব্লাস্টেুলেশন কি?
হাইড্রা বারবার বিভাজিত হয়ে ভ্রূণীয়দশায় পরিণত হওয়াকে মরুলা বলে। মরুলা থেকে ব্লাস্টুলা গঠনের প্রক্রিয়াকে ব্লাস্টুলেশন বলে।
হাইড্রা বারবার বিভাজিত হয়ে ভ্রূণীয়দশায় পরিণত হওয়াকে মরুলা বলে। মরুলা থেকে ব্লাস্টুলা গঠনের প্রক্রিয়াকে ব্লাস্টুলেশন বলে।
হাইড্রাসহ কোনো কোনো অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের দেহে এক ধরনের প্রবৃদ্ধি গঠনের মাধ্যমে অযৌনজনন সম্পন্ন হয়। এ প্রবৃদ্ধিকে মুকুল (Bud) বলে।
ভলভেন্ট এক ধরনের নেমাটোসিস্ট। এটি অপেক্ষাকৃত ছোট, সূতকটি খাটো, মোটা, স্থিতিস্থাপক কাঁটাবিহীন যার শীর্ষপ্রান্ত বন্ধ।
হিমোসিল কি? ঘাসফড়িংসহ সকল সন্ধিপদী প্রাণীর দেহগহ্বর মোসোডার্মাল পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে না। দেহগহ্বর রক্তপূর্ণ এবং সংবহনতন্ত্রের অংশ হিসেবে কাজ করে। এ ধরনের রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে। ভ্রূণীয় পেরিভিসেরাল সিলোম পরিবর্তিত হয়ে হিমোসিল গঠন করে। হিমোসিলের কাজ কি? হিমোসিল ঘাসফড়িং-এর দেহের সকল অন্তঃঅঙ্গকে ধারণ করে। এটি রক্ত ও লসিকা ধারণ করে। হিমোসিলের মাধ্যমে খাদ্যসার … Read more
যে সংবহনতন্ত্রে রক্ত সর্বদাই রক্তবাহিকা ও হৃৎপিণ্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ আবদ্ধ থেকে প্রবাহিত হয় এবং কোনোক্রমেই দেহ গহ্বরে মুক্ত হয় না তাকে বদ্ধ সংবহনতন্ত্র বলে। যেমন- মানুষ, গরু, ব্যাঙ ইত্যাদি।
যে সংবহনতন্ত্রে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে নালিকা পথে বের হয়ে পরে উন্মুক্ত দেহগহ্বরে প্রবেশ করে এবং দেহগহ্বর থেকে পুনরায় নালিকা পথে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে তাকে উন্মুক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। অর্থাৎ রক্ত সর্বদা রক্তবাহিকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় না। যেমন – চিংড়ি, ঘাসফড়িং, আরশোলা, মোলাস্কা ইত্যাদি।
যেসব রক্তবাহিকার মাধ্যমে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত সারা দেহে প্রবাহিত হয় তাকে ধমনিতন্ত্র বলে।
দেহ মাকু সদৃশ অর্থাৎ মধ্যভাগ মোটা ও দুই প্রান্ত ক্রমশ সরু, প্রস্থ থেকে উচ্চতা বেশি। চলনের সময় পানির ভিতর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় না বলে এ ধরনের আকৃতিকে স্ট্রিমলাইন্ড (Steamlined) বলে। দেহ তিন অংশে ভাগ করা যায়। যথা- মাথা বা মস্তক, ধড় বা দেহকাণ্ড ও পুচ্ছ বা লেজ। দেহের অগ্রপ্রান্ত হতে কানকোর পশ্চাৎ প্রান্ত পর্যন্ত অংশকে … Read more