কর্ডাটা কাকে বলে?
যে সকল প্রাণীর সারাজীবন অথবা শুধুমাত্র ভ্রূণীয় দশায় নটোকর্ড বিদ্যমান থাকে তাদের কর্ডাটা (Chordata) বলে। যেমন – Labeo rohita (রুই মাছ), Panthera tigris (বাঘ) ইত্যাদি।
যে সকল প্রাণীর সারাজীবন অথবা শুধুমাত্র ভ্রূণীয় দশায় নটোকর্ড বিদ্যমান থাকে তাদের কর্ডাটা (Chordata) বলে। যেমন – Labeo rohita (রুই মাছ), Panthera tigris (বাঘ) ইত্যাদি।
যখন কোনো প্রাণীর দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো বিন্যাস এমনভাবে সজ্জিত থাকে যে, উক্ত প্রাণীটিকে তার কেন্দ্রবিন্দু বরাবর কোনো তলেই সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা যায় না তাকে অপ্রতিসম প্রাণী বলে। যেমন- Amoeba proteus (অ্যামিবা), Spongilla fragilis (স্পঞ্জিলা) ইত্যাদি।
প্রতিসাম্য (Symmetry) হলো প্রাণিদেহের কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সদৃশ সমান অংশে বিভাজন। অর্থাৎ প্রতিসম প্রাণীদেহকে এক বা একাধিক তলে বিভক্ত করলে দুই পাশের অংশ সমান ও সদৃশ হবে।
মেরুদণ্ডী প্রাণী কাকে বলে? যে সকল প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে তাদেরকে মেরুদণ্ডী প্রাণী বা ভার্টিব্রাটা (Vertebrata) বলে। মেরুদণ্ডী শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ভার্টিব্রাটারস (প্লিনি) থেকে এসেছে, যার অর্থ মেরূদণ্ডের সংযোগস্থল। যেমন – Naja naja (গোখরা), Bos indicus (গরু) ইত্যাদি। মেরুদণ্ডী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য ১) মেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে।২) পাখনা কিংবা পা থাকে।৩) মানুষ ছাড়া প্রায় সব মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে।৪) ফুলকা কিংবা … Read more
যখন কোনো প্রাণীর দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এ রকম হয় যে, ঐ প্রাণীটিকে অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুইয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায, তখন তাকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলে। যেমন – Hydra vulgaris (হাইড্রা), Astropecten auranciacus (সমুদ্র তারা) ইত্যাদি।
যখন কোনো প্রাণীর দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে, ঐ প্রাণীটিকে মধ্যমাতল বরাবর ডান ও বাম সদৃশ অর্ধাংশ শুধুমাত্র একবারই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায়, তখন তাকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম প্রাণী বলে। যেমন – Tenualosa ilisha (ইলিশ), Columba livia (কবুতর), Fasciola hepatica (যকৃত কৃমি) ইত্যাদি।
যে সকল প্রাণীতে কোনো না কোনো অক্ষ বা তলে প্রতিসাম্য বিদ্যমান তারাই প্রতিসম প্রাণী। প্রতিসমতার ভিত্তিতে প্রাণিজগতকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা – ১. দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম প্রাণী২. অরীয় প্রতিসম প্রাণী৩. সার্বিক বা গোলীয় প্রতিসম প্রাণী৪. দ্বি-অরীয় প্রতিসম প্রাণী ইত্যাদি।
যে সকল প্রাণীর দেহে সিলোম থাকে না তাদের সিলোমবিহীন প্রাণী বলে। যেমন – Taenia solium (ফিতাকৃমি). Fasciola hepatica (যকৃত কৃমি) ইত্যাদি।