হেনলির লুপ কাকে বলে?

নেফ্রনের গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকার শেষ প্রান্ত সোজা হয়ে বৃক্কের মেডুলা অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং একটি U আকৃতির ফাঁস বা লুপ গঠন করে পুনরায় কর্টেক্স অঞ্চলে ফিরে আসে। আবিষ্কারক ফ্রেডরিখ হেনলির নামানুসারে একে হেনলির লুপ বলা হয়। এটি প্রকৃতপক্ষে রেনাল টিউব্যুলেরই একটি অংশ।

মূত্রনালী সুস্থ রাখার উপায় কি?

মূত্রনালী সুস্থ রাখতে শিশুদের টনসিল ও খোস পাঁচড়া থেকে সাবধান থাকতে হবে। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ডায়ারিয়া ও রক্তক্ষরণে দ্রুত চিকিৎসা করা, ধূমপান, ব্যথা নিরাময়ে ঔষধ পরিহার, পরিমাণমত পানি পান করা এবং নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনই মূত্রনালি সুস্থ রাখার উপায়।

মানবদেহে পানির ভারসাম্য রক্ষা হয় কিভাবে?

মানবদেহে পানির ভারসাম্য রক্ষা হয় বৃক্কের অসমোরেগুলেশনের মাধ্যমে। রেচন প্রক্রিয়ায় দেহ থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশিত হলেও নেফ্রনের মাধ্যমে পুনঃশোষণ প্রক্রিয়ায় দেহে পানির সমতা বজায় থাকে। এক্ষেত্রে গ্লোমেরুলাসে পানি পরিস্রুত হয়।

কিডনি কিভাবে পানির সমতা বজায় রাখে?

দেহের পানি সমতা নিয়ন্ত্রণে কিডনি বা বৃক্ক প্রধান ভূমিকা পালন করে। বৃক্ক নেফ্রনের মাধ্যমে পুনঃশোষণ প্রক্রিয়ায় দেহে পানির সমতা বজায় রাখে। গ্লোমেরুলাসে তরল পদার্থ পরিস্রুত হয়। দেহের পানির সমতা বজায় রাখাকে অসমোরেগুলেশন বলে।

রেচন কি?

মানবদেহে যে জৈবনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহে বিপাক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।

error: Content is protected !!