ব্রঙ্কাস কাকে বলে?

ব্রঙ্কাস এক প্রকার শ্বসনতন্ত্রের শাখাবিশেষ অঙ্গাণু। শ্বাসনালি স্বরযন্ত্রের নিম্নাংশ থেকে ফুসফুসের নিকটবর্তী হয়ে ডান ও বামদিকে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়। যা ডান ও বাম ফুসফুসে প্রবেশ করে। এগুলোই ব্রঙ্কাস।

মেডুলা কি?

মেডুলা শব্দটি জীববিজ্ঞানে বিভিন্ন অঙ্গের বিভিন্ন অংশকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। মেডুলা কি দিয়ে গঠিত? মেডুলা অবলংগাটা প্রধানত স্নায়ুকোষ (নিউরন) এবং গ্লিয়া কোষ দিয়ে গঠিত। এই কোষগুলো বিভিন্ন ধরনের স্নায়ুতন্ত্রের টিস্যু গঠন করে এবং একসঙ্গে মিলে মেডুলার জটিল কাঠামো তৈরি করে। মেডুলার কাজ মেডুলা অবলংগাটা আমাদের শরীরের অনেক অজ্ঞাত কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন: মেডুলা অবলংগাটা … Read more

বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডার

বাংলা ভাষায় যে শব্দ সম্ভাবের সমাবেশ হয়েছে, সেগুলোকে পণ্ডিতগণ কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন। যেমন- ১. তৎসম শব্দঃ যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান) ] = তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত। উদাহরণ : … Read more

সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য

১. সাধু রীতি ২. চলিত রীতি সাধু ও চলিত রীতির মধ্যে মূল পার্থক্য বৈশিষ্ট্য সাধু রীতি চলিত রীতি উৎস সংস্কৃত জনসাধারণের মুখের ভাষা শব্দ সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য দেশি শব্দের প্রাধান্য বাক্য গঠন জটিল ও সুসংবদ্ধ সহজ ও সরল ব্যবহার সাহিত্য, ধর্মীয় গ্রন্থ, আনুষ্ঠানিক লেখা দৈনন্দিন কথাবার্তা, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন উদাহরণ আমি গৃহে গমন করিব আমি বাড়ি … Read more

মূত্রের উপাদানগুলো কি কি?

মূত্রের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৯০ ভাগই পানি। এছাড়া মূত্রের অন্যান্য উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন, বিভিন্ন ধরনের লবণ এবং ইউরোক্রোম নামক রঞ্জক পদার্থ।

রেচন পদার্থ কাকে বলে?

রেচন পদার্থ বলতে মূলত নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থকে বোঝানো হয়। মূত্র হলো দেহের প্রধান রেচন পদার্থ। এতে প্রায় ৯০ ভাগই পানি। এছাড়া এতে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন ও বিভিন্ন ধরনের লবণ বিদ্যমান। রেচন পদার্থ হল আমাদের শরীরে বিপাক প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন এমন কিছু ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ, যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং এগুলিকে শরীর থেকে … Read more

অসমোরেগুলেশন কাকে বলে?

অসমোরেগুলেশন হল জীবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোষ এবং দেহের তরলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের অসমোটিক চাপকে স্থির রাখা হয়। সহজ কথায়, এটি হল শরীরের জলের পরিমাণ এবং লবণের ঘনত্বকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার প্রক্রিয়া। অসমোরেগুলেশনের প্রক্রিয়া অসমোরেগুলেশন বিভিন্ন অঙ্গ এবং প্রক্রিয়ার সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়। কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং ত্বক এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন … Read more

error: Content is protected !!