টিস্যু ম্যাচ কাকে বলে?
দু’জন মানুষের মধ্যে HLA নামক বিশেষ অ্যান্টিজেনের মিল থাকাকে টিস্যু ম্যাচ বলে। দু’জন মানুষের HLA এর মধ্যে মিল থাকলে তাদের একজনের কিডনি অন্যজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করা যায়। অন্যথায় কিডনি সংযোজন সফল হয় না।
দু’জন মানুষের মধ্যে HLA নামক বিশেষ অ্যান্টিজেনের মিল থাকাকে টিস্যু ম্যাচ বলে। দু’জন মানুষের HLA এর মধ্যে মিল থাকলে তাদের একজনের কিডনি অন্যজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করা যায়। অন্যথায় কিডনি সংযোজন সফল হয় না।
ডায়রিয়া বা বমি হওয়া ছাড়াই গরমে ঘেমে গেলে, ক্লান্ত অবস্থায় কিংবা তেমন কোনো কারণ ছাড়াই খাবার স্যালাইন পান করা একেবারেই ঠিক নয়। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া বা বমি ছাড়া অন্যক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্যালাইন বিপদ ডেকে আনতে পারে। এমনকি ডায়রিয়া বা বমির ক্ষেত্রে ও চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক সঠিক পরিমাণে স্যালাইন পান করতে হবে।
ধমনি ও শিরার মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ- নং ধমনি শিরা ১ হৃদপিন্ডে উৎপন্ন হয়ে দেহের কৈশিকনালিতে সমাপ্ত হয়। কৈশিকনালি থেকে উৎপন্ন হয়ে হৃদপিন্ডে সমাপ্ত হয়। ২ হৃদপিন্ড থেকে দেহের দিকে পরিবহন করে। দেহ থেকে হৃৎপিন্ডে দিকে রক্ত পরিবহন করে। ৩ পালমোনারি ধমনি ছাড়া অন্য ধমনিগুলো O2 সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে। রক্ত উজ্জল লাল বর্ণের। পালমোনারি শিরা ছাড়া … Read more
যে তন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত প্রতিনিয়ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ এবং অংশে চলাচল করে তাকে রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। রক্তনালির মধ্য দিয়ে রক্ত দেহের সর্বত্র প্রবাহিত হয়। এ তন্ত্রে প্রবাহিত রক্তের মাধ্যমে খাদ্য, পরিবাহিত হয়। ফলে দেহের সব কোষ সজীব এবং সক্রিয় থাকে।
গ্যাস্ট্রাইটিস পরিপাকতন্ত্রের একটি রোগ। প্রধানত সময়মতো খাদ্য গ্রহণ না করলে এবং দীর্ঘদিন খাদ্য গ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্যের কারণে এ রোগ হয়। এক্ষেত্রে গলা, পেট জ্বালা করে ও পেটব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়।
হৃৎপিন্ডের সংকোচন বা সিস্টোল অবস্থায় ধমনিগাত্রে রক্তচাপের মাত্রা সর্বাধিক থাকে। একে সিস্টোলিক চাপ বলে। হৃৎপিন্ডের প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। একে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে। স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্র দ্বারা ডায়াস্টোলিক চাপ ও সিস্টোলিক চাপ দেখে রক্ত চাপ নির্ণয় করা যায়।
মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণকে স্ট্রোক বলা হয়। ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়াও উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। নির্গত রক্ত মস্তিষ্কে জমাট বাঁধে ও মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে। রক্ত মস্তিষ্কের গহ্বর ও মাথার খুলিতে ঢুকলে রোগীর মৃত্যু ঘটে।
রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় ‘A’ ও ‘B’ নামক দুই ধরনের এন্টিজেন থাকে। আবার রক্তরসে ‘a’ ও ‘b’ নামক দুই ধরনের এন্টিবডি থাকে। এই এন্টিজেন ও এন্টিবডির উপস্থিতি অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করেই রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। কার্ল ল্যান্ডস্টেইনারের মতে রক্তের গ্রুপ চারটি A, B AB এবং O।