কো-এনজাইম কী?

কো-এনজাইম হলো এমন জৈব রাসায়নিক যৌগ যা উৎসেচকের (এনজাইম) সাথে মিলে কাজ করে এবং জীবদেহে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। সহজ কথায়, এরা এনজাইমের সহযোগী বা সহকারী। উৎসেচক প্রধানত প্রোটিন দিয়ে তৈরি হলেও, কো-এনজাইম অপ্রোটিন অংশ। উদাহরণস্বরূপ, ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অনেক উপাদানই কো-এনজাইম হিসেবে কাজ করে। কো-এনজাইমের গুরুত্ব অপরিসীম। এরা এনজাইমকে সক্রিয় করে তোলে … Read more

বহিঃশ্বসন কাকে বলে?

বহিঃশ্বসন হলো শ্বসন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে আমরা আমাদের শরীরে প্রবেশ করা কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত বাতাসকে বাইরে বের করে দেই। সহজ কথায়, বহিঃশ্বসন হলো শ্বাস ছাড়ার কাজ। আমরা যখন শ্বাস নিই, তখন অক্সিজেন সমৃদ্ধ বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে। এই অক্সিজেন রক্তে মিশে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেয়, যা শক্তি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু শক্তি … Read more

জীবনীশক্তি কী?

জীবনীশক্তি, এমন একটি শক্তি যা সকল জীবের অস্তিত্ব, বৃদ্ধি এবং কার্যকলাপের জন্য অত্যাবশ্যক। এটি জীবদেহে বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়া চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস। খাদ্য থেকে আমরা যে শক্তি পাই, তা আমাদের দেহে জীবনীশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই শক্তি আমাদের শারীরিক ও মানসিক কার্যকলাপ চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন, হাঁটাচলা, খেলাধুলা, চিন্তা করা, শ্বাস নেওয়া ইত্যাদি। সহজ … Read more

NADPH2 বলতে কী বোঝায়?

বিজারিত Nicotinamide Adenine Dinucleotide Phosphate কে সংক্ষেপে NADPH2 বলা হয়। সালোক সংশ্লেষণের আলোক পর্যায়ে NADP বিজারিত হয়ে NADPH2  তৈরি হয়। একে আত্তীকরণ শক্তিও বলা হয়ে থাকে। কারণ CO2 আত্তীকরণের মাধ্যমে শর্করা তৈরির সময় এর শক্তি ব্যবহৃত হয়।

শর্করা উৎপাদনের প্রাকৃতিক কারখানা বলতে কি বোঝায়?

সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াতে শর্করা উৎপাদন করে। এ প্রক্রিয়ার বেশির ভাগই সবুজ পাতার ক্লোরোফিলে সংঘটিত হয়ে থাকে। সবুজ পাতার সংখ্যা যত কমে, শর্করা উৎপাদনও কম হয়। এ কারণেই পাতাকে শর্করা উৎপাদনের প্রাকৃতিক কারখানা বলা হয়।

সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরিনের ভূমিকা

পাতার ক্লোরোফিলের পরিমাণের সাথে সালোকসংশ্লেষণের হারের সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান। কারণ একমাত্র ক্লোরোফিলই আলোকশক্তি গ্রহণ করতে সক্ষম। সালোকসংশ্লেষণ ক্ষমতা রক্ষা করার জন্য ক্লোরোপ্লাস্টের বিভিন্ন উপাদান দ্রুত ও প্রচুর পরিমাণে পুর্নগঠন হওয়া প্রয়োজন। তবে কোষে খুব বেশি পরিমাণ ক্লোরোফিল থাকলে এনজাইমের অভাব দেখা দেয় এবং সালোকসংশ্লেষণ হ্রাস পায়।

ঈস্টের শ্বসন মানুষ কী কাজে লাগায়?

ঈস্টে অবাত শ্বসন ঘটে। ঈস্টের অবাত শ্বসনের ফলে অ্যাকোহল ও কার্বনডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। মানুষ বেকারী বেকারী শিল্পে রুটি বা কেক ফোলানোর জন্য ঈস্টের অবাত শ্বসনে উৎপন্ন  CO2  কাজে লাগায়। অ্যালকোহল তৈরিতে ঈস্টের অবাত শ্বসন কাজে লাগানো হয়। কিছু প্রজাতির ঈস্টের অবাত শ্বসন কাজে লাগিয়ে জৈব এসিড উৎপাদন করা হয়।

তাপমাত্রা কিভাবে প্রস্বেদনকে প্রভাবিত করে?

তাপমাত্রার তারতম্যের সাথে প্রস্বেদন হারও উঠানামা করে। অধিক তাপে পানি সহজেই বাষ্পে পরিণত হতে পারে। ফলে প্রস্বেদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে প্রস্বেদনের হার দ্রুততর হয়। তাপমাত্রা কমে গেলে তাই স্বাভাবিক নিয়মেই প্রস্বেদন হারও কমে যায়।

error: Content is protected !!