আয়নিক যৌগসমূহ উচ্চ গলনাংক ও স্ফূটনাংক বিশিষ্ট হয় কেন?

আয়নিক যৌগে প্রতিটি আয়ন তার চতুর্দিকে বিপরীত আধানযুক্ত আয়ন দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। আয়নিক যৌগকে তরল করতে হলে অনেক বেশি তাপের প্রয়োজন। অধিক তাপে আয়নগুলো কম্পন দ্বারা বিপরীত আধানযুক্ত আয়নের আকর্ষণকে অতিক্রম করে মোটামুটি মুক্তভাবে বিচরণ করতে পারে। এদের বাষ্পীভূত করতে বিপরীত আধানযুক্ত আয়নের আকর্ষণ সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন করতে হয়। এ কারণে আয়নিক যৌগসমূহের গলনাংক ও স্ফূটনাংক … Read more

পোলারিটি কাকে বলে?

যে সকল সমযোজী যৌগের অণুতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট প্রান্তের সৃষ্টি হয়, তাদেরকে পোলার যৌগ বলে। পোলার যৌগের এই বৈশিষ্ট্যকে পোলারিটি বলে। যেমন – পানি, অ্যালকোহল, হাইড্রোজেন ক্লোরাইড, এসিড ইত্যাদি পোলার যৌগ।

হারাধনের দশটি ছেলে – যোগীন্দ্রনাথ সরকার—সংকলিত (যোগীন্দ্রনাথ সরকার)

হারাধনের দশটি ছেলেঘোরে পাড়াময়,একটি কোথা হারিয়ে গেলরইল বাকি নয়। হারাধনের নয়টি ছেলেকাটতে গেল কাঠ,একটি কেটে দু’খান হলরইল বাকি আট। হারাধনের আটটি ছেলেবসলো খেতে ভাত,একটির পেট ফেটে গেলরইল বাকি সাত। হারাধনের সাতটি ছেলেগেল জলাশয়,একটি সেথা ডুবে ম’লরইল বাকি ছয়। হারাধনের ছয়টি ছেলেচ’ড়তে গেল গাছ,একটি ম’ল পিছলে পড়েরইল বাকি পাঁচ।

গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবাহী কিন্তু হীরক বিদ্যুৎ অপরিবাহী কেন?

গ্রাফাইট অণুর গঠন পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, গ্রাফাইট অণুর গঠনে প্রতিটি কার্বন পরমাণু অপর 3টি কার্বন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। ফলে প্রতিটি কার্বনে 1টি করে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। কার্বন পরমাণুতে বিদ্যমান মুক্ত ইলেকট্রনগুলো মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে বলে গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবাহী। অপরদিকে, হীরকের গঠন পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এর প্রতিটি কার্বন পরমাণু অপর … Read more

ধাতু বিদ্যুৎ সুপরিবাহী হয় কেন?

ধাতু পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের সাথে দুর্বলভাবে আবদ্ধ থাকে। ধাতব কেলাসে এই ইলেকট্রনগুলো পরমাণুর কক্ষপথ থেকে বের হয়ে সমগ্র ধাতব খণ্ডে মুক্তভাবে চলাচল করে। মুক্ত ইলেকট্রনগুলো কোনো নির্দিষ্ট পরমাণুর সাথে থাকে না। তারা সমগ্র ধাতব খণ্ডের হয়ে থাকে। ইলেকট্রন হারিয়ে ধাতুর পরমাণুগুলো ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়ে এক ত্রিমাত্রিক জালকে অবস্থান। ফলে এক ইলেকট্রন সাগরে ধাতব … Read more

মোল কাকে বলে?

রাসায়নিক পদার্থের পারমাণবিক ভর (পরমাণুর ক্ষেত্রে) অথবা আণবিক ভর (অণুর ক্ষেত্রে) গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তাই সংশ্লিষ্ট পদার্থের এক মোল।

দ্রবণ কাকে বলে? দ্রব কাকে বলে? দ্রাবক কাকে বলে? জলীয় দ্রবণ কাকে বলে?

দ্রবণ কাকে বলে? দুই বা ততোধিক বস্তুর এমন একটি সমসত্ত্ব মিশ্রণ যাতে বস্তুসমূহের আপেক্ষিক পরিমাণ ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে পারে তাকে দ্রবণ বলে। দ্রব কাকে বলে? দ্রবণে যে পদার্থ অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণে থাকে তাকে দ্রব বলে। দ্রাবক কাকে বলে? দ্রবণে যে পদার্থ অধিক পরিমাণে থাকে তাকে দ্রাবক বলে। জলীয় দ্রবণ কাকে বলে? দ্রব ও দ্রাবক … Read more

error: Content is protected !!