স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেতের মধ্যে পার্থক্য

স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেতের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ –  নং   স্থূল সংকেত   আণবিক সংকেত   ১ যে সংকেতের দ্বারা কোনো অণুতে বিদ্যমান পরমাণুসমূহের অনুপাত প্রকাশ করা হয় তাকে স্থূল সংকেত বলে। যে সংকেত দ্বারা যৌগের অণুতে বিদ্যমান পরমাণুসমূহের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করে তাকে আণবিক সংকেত বলে।  ২ যৌগের স্থূল সংকেত কোনো ক্ষেত্রে আণবিক সংকেতের সমান হয়। … Read more

রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে?

যে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এক বা একাধিক রাসায়নিক বস্তু পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক বা একাধিক রাসায়নিক বস্তুতে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে। যেমন – হাইড্রোজেন (H2) ও অক্সিজেন (O2) সংযুক্ত হয়ে পানি (H2O) উৎপন্ন করে।

রাসায়নিক সমীকরণের সমতাকরণ কি? রাসায়নিক সমীকরণের সমতাকরণ কৌশল লিখ।

রাসায়নিক সমীকরণের সমতাকরণ কি? কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়ক ও উৎপাদ সমূহের মোট পরমাণুর সংখ্যা সমান করার প্রক্রিয়াকে রাসায়নিক সমীকরণের সমতাকরণ বলে। রাসায়নিক সমীকরণের সমতাকরণ কৌশল

উৎপাদের পরিমাণ 100% হয় না কেন?

রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে সকল পদার্থ ব্যবহার করা হয় তারা ১০০ঃ বিশুদ্ধ থাকে না। রাসায়নিক পদার্থের বিশুদ্ধতা তার প্রস্তুতি ও বিশুদ্ধকরণ পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। বিক্রিয়কসমূহ ১০০% বিশুদ্ধ না হওয়ায় উৎপাদের পরিমাণ লিমিটিং বিক্রিয়ক থেকে হিসাবকৃত পরিমাণ থেকে কম হয়। কী পরিমাণ উৎপাদ কম পাওয়া যায় তা উৎপাদের শতকরা পরিমাণের মাধ্যমে হিসাব করা হয়।

উৎপাদের শতকরা পরিমাণ নির্ণয় করা হয় কেন?

রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে সকল বিক্রিয়ক ব্যবহার করা হয় তাহা 100% বিশুদ্ধ থাকে না। সবচেয়ে বিশুদ্ধ রাসায়নিক পদার্থকে অ্যানালার বা অ্যানালার গ্রেড পদার্থ পদার্থ বলে। অ্যানালার রাসায়নিক পদার্থসমূহ প্রায় 99% বিশুদ্ধ হয়, এদেরকে গবেষণার সময় বিশ্লেষণীয় কাজে ব্যবহার করা হয়। রাসায়নিক পদার্থের বিশুদ্ধতা তার প্রস্তুতি ও বিশুদ্ধকরণ পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। বিক্রিয়কসমূহ 100% বিশুদ্ধ না … Read more

পদার্থের পরিবর্তন কাকে বলে? পদার্থের পরিবর্তনের প্রকারভেদ

পদার্থের পরিবর্তন কাকে বলে? বাহ্যিক তাপ, চাপ ও অন্য পদার্থের সংস্পর্শে পরিবেশে বিদ্যমান পদার্থগুলো পরিবর্তিত হয়ে যায়, যা পদার্থের পরিবর্তন নামে পরিচিত। পদার্থের পরিবর্তনের প্রকারভেদ পদার্থের পরিবর্তন দুই প্রকার। যথাঃ ১। ভৌত পরিবর্তন এবং ২। রাসায়নিক পরিবর্তন।

জিন কাকে বলে?

জিন হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত ডিএনএ। একটি জিন একটি পলিপপটিড চেইন নির্দিষ্ট করে কোনও ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে পারে যা একটি প্রোটিন বা প্রোটিনের অংশ (কাঠামোগত জিন) গঠন করে অর্থাৎ জিনগুলি ক্রোমোজোমে অবস্থিত ডিএনএর অংশ যা প্রোটিন উৎপাদনের জন্য নির্দেশাবলী ধারণ করে। মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।মেন্ডেলকে জিনতত্ত্বের জনক বলা … Read more

error: Content is protected !!