উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য পানি দরকার কিনা তার পরীক্ষার জন্য বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার ধাপগুলো কী কী হবে?

পরীক্ষণ : উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য পানি দরকার কিনা তার পরীক্ষা। পরীক্ষণটি করতে যা যা দরকার: ছোট দুটি পাত্র, ফুলগাছের দুটি চারা, পানি, শুকনা মাটি। ১. সমস্যা নির্ধারণ: পরীক্ষণ পদ্ধতির প্রথম ধাপে সমস্যা স্থির করেছিলাম, ফুলগাছের চারা তুলে এনে লাগালে মারা যাচ্ছে কেন? ২. জানা তথ্য সংগ্রহ: শিক্ষককে এবং পিতা-মাতাকে জিজ্ঞাসা করে জেনেছিলাম কেন চারাগাছ মারা যেতে পারে। … Read more

তোমার একটি বইয়ের দৈর্ঘ্য ২০ সে.মি, প্রস্থ ১৫ সে.মি এবং উচ্চতা ১ সে.মি. এরূপ ৫০টি বইয়ের আয়তন কত?

দেওয়া আছে,বইয়ের –দৈর্ঘ্য ২০ সে.মি.প্রস্থ ১৫ সে.মি.এবং উচ্চতা ১ সে.মি. আমরা জানি, আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতাতাহলে একটি বইয়ের আয়তন = ২০ সে.মি. × ১৫ সে.মি. × ১ সে.মি.= ৩০০ ঘন সে.মি. এরূপ ৫০টি বইয়ের আয়তন = ৫০ × ৩০০ ঘন সে.মি.= ১৫০০০ ঘন সে.মি.

আল-আসমাউল হুসনা কাকে বলে?

আল-আসমাউল হুসনা বলতে আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহকে বোঝায়। আরবি ভাষার ‘আল-আসমা’ শব্দটি ‘ইসম’ শব্দের বহুবচন। ‘ইসম’ শব্দের অর্থ নাম। আর হুসনা শব্দটি ‘হুসনুন’ শব্দের বহুবচন। ‘হুসনুন’ অর্থ সুন্দর। সুতরাং আল-আসমাউল শব্দের অর্থ সুন্দর নামসমূহ। আল্লাহ তায়ালা একাধারে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা, দয়াবান, ক্ষমাশীল, শাস্তিদাতা ও পরাক্রমশালী। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা ও সর্বশক্তিমান। তার আরও অনেক গুণবাচক নাম … Read more

কৈ মাছের জন্য দ্রবীভূত অক্সিজেন প্রয়োজন কেন- ব্যাখ্যা কর।

হাজার হাজার জলজ প্রাণীর মাঝে আমাদের সবচেয়ে পরিচিত জলজ প্রাণী মাছ। আমরা যেরকম বাতাস বা অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারি না, দম বন্ধ হয়ে মারা যাই, মাছের বেলাতেও তাই ঘটে। মাছ অক্সিজেন গ্রহণ করে ফুলকা দিয়ে আর ফুলকা এমনভাবে তৈরি যে এটি শুধু পানি থেকেই অক্সিজেন নিতে পারে, বাতাস থেকে নয়। যদি পানি না থাকতো তাহলে … Read more

জাতীয়তাবাদের উম্মেষে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভাষা আন্দোলন সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে। পাকিস্তানের প্রতি আগে যে মোহ ছিল তা দ্রত কেটে যেতে থাকে। নিজস্ব জাতিসত্তা সৃষ্টিতে ভাষা ও সংস্কৃতির সম্পর্ক এবং গুরুত্ব পূর্ব বাংলার মানুষের কাছে অধিকতর স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাঙালি হিসেবে নিজেদের আত্মপরিচয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি গড়ে তোলার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে থাকে। ভাষাকেন্দ্রিক এই ঐক্যই জাতীয়তাবাদের মূল … Read more

স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধস্ত বাংলাদেশ পূণর্গঠন প্রক্রিয়ার বর্ণনা দাও।

স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধস্ত বাংলাদেশ পূণর্গঠন প্রক্রিয়ার বর্ণনা  বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন চারদিকে ছিল স্বজন হারানোর বেদনা, কান্না, হাহাকার আর ধ্বংসযজ্ঞ। অসংখ্য রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, কলকারখানা, নৌবন্দর ও সমুদ্রবন্দর ছিল বিধ্বস্ত। রাষ্ট্রীয় কোষাগার ছিল অর্থ শূন্য। স্বাধীন বাংলাদেশের ছিল না কোনো সামরিক – বেসামরিক বিমান। ত্রিশ লাখ শহিদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে এক কোটি শরণার্থীর … Read more

ঘর্ষণ না থাকলে বেগের কি কোনো পরিবর্তন হতো?

ঘর্ষণকে কাজে লাগিয়ে বেগের কাঙ্খিত মান অর্জন করা সম্ভব হয়। ঘর্ষণ না থাকলে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলতে পারতো না। আবার চলন্ত গাড়ি অনন্তকাল রাস্তা ধরে চলতে থাকতো; ব্রেক প্রয়োগ করে থামানো সম্ভব হতো না।  সুতরাং ঘর্ষণ না থাকলে প্রাণী, যানবাহন, নৌযান সবকিছুর বেগই আমাদের দেখা বেগের চেয়ে ভিন্ন হতো।

error: Content is protected !!