কৃত্রিম প্রজননের গুরুত্ব

কৃত্রিম প্রজননের গুরুত্ব
১। অনুন্নত গরুর জাতকে উন্নত জাতে রূপান্তরিত করা যায়।
২। উন্নত জাতে রূপান্তরিত করায় দুধ ও মাংসের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।
৩। গবাদিপশুর প্রজনন সংকট প্রতিরোধ করা যায়।
৪। বকনা বা গাভীর গর্ভধারণের হার বেশি হয়।
৫। কাঙ্খিত জাতের হাইব্রিড বা সংকর বাচ্চা উৎপাদন করা যায়।
৬। গবাদিপশুর বিভিন্ন ধরনের যৌন রোগ থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়।
৭। কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রমে অনেক বেকার লোকের কর্মসংস্থান হয়।
৮। বছরে একটি ষাঁড় থেকে সংগৃহীত বীর্য দ্বারা ১০,০০০ টি বকনা বা গাভীকে প্রজনন করানো যায়।
৯। কৃত্রিম প্রজনন সফল হওয়ায় কৃষকের ঘরে ঘরে উন্নত জাতের ষাঁড় পালনের প্রয়োজন পড়ে না।
১০। কাঙ্খিত উন্নত জাতের ষাঁড়ের বীজ সংরক্ষণ করে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় ইত্যাদি।

error: Content is protected !!