- ট্রপিক হরমোন কাকে বলে?
- প্রজনন কাকে বলে? প্রজনন কত প্রকার ও কি কি?
- নার্সারি, হ্যাচারি ও পশুপালন কে প্রজনন শিল্প বলার কারণ কি?
কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা –
১। অনুন্নত দেশীয় জাতের প্রাণির/গরুর উন্নয়ন ঘটানো যায়।
২। কোনো ষাঁড় থেকে একবার সংগ্রহ করা বীর্য দ্বারা ১০০-৪০০ বকনা বা গাভীকে প্রজনন করানো যায়।
৩। উন্নত জাতের বা কাঙ্খিত ষাঁড়ের বীর্য ব্যবহার করা যায়।
৪। উন্নত জাতের বা কাঙ্খিত ষাঁড়ের বীর্য দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে ব্যবহার করা যায।
৫। উন্নত জাতের ষাঁড় সঙ্গমে অক্ষম হলেও বীর্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে ব্যবহার করা যায়।
৬। বকনা বা গাভীর গর্ভধারণের হার বেশি হয়।
৭। কাঙ্খিত ষাঁড়ের বীর্য দিয়ে দেশ এবং দেশের বাইরের যে কোনো স্থানে বকনা বা গাভীর প্রজনন করানো সম্ভব হয়।
৮। প্রাকৃতিক প্রজনন অপছন্দকারী বা ষাঁড়ের সংস্পর্শে শুয়ে পড়া বকনা বা গাভীকে এ পদ্ধতিতে প্রজনন করা সহজ।
৯। গবাদি পশুর বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন ঘটিয়ে হাইব্রিড বা সংকরজাত তৈরি করা যায়।
১০। ষাঁড়ের বীর্য ও বকনা বা গাভীর যোনি পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চিকিৎসা করা সম্ভব হয় ইত্যাদি।