কৃত্রিমভাবে সংগৃহীত ও প্রক্রিয়াজাত ষাঁড়ের বীর্য বা সিমেন দ্বারা গাভিকে কৃত্রিম প্রজনন করানো হয়।
আমাদের দেশে দুধ ও মাংস উৎপাদনের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে পছন্দমতো সংকর জাতের বাচ্চা উৎপাদন করা যায়। এসব উন্নত জাতের বাছুরের উৎপাদন ক্ষমতা বেশি হয় ফলে খামার মালিক আর্থিকভাবে লাভবান হয়। দুধ ও মাংসের ঘাটতি পূরণ হয়। গাভির প্রজনন সংকট ও সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ করা যায়।
তাই গাভির কৃত্রিম প্রজনন প্রয়োজন।