বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে এবং উচ্চারণে হ-কার জাতীয় ধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনা যায়, তাদের মহাপ্রাণ বর্ণ বলা হয়। সাধারণ বর্ণ বা অল্পপ্রাণ বর্ণের তুলনায় মহাপ্রাণ বর্ণ উচ্চারণে অনেক বেশি শারীরিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়। কক্-চক্-টপ-তপ বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনিগুলো সাধারণত মহাপ্রাণ হয়ে থাকে। যেমন— ‘ক’ বর্গের ‘খ’ ও ‘ঘ’, ‘চ’ বর্গের ‘ছ’ ও ‘ঝ’ ইত্যাদি। মনে রাখার সহজ উপায় হলো, বর্গের জোড় সংখ্যক বর্ণগুলোই (২য় ও ৪র্থ) মহাপ্রাণ। এছাড়া উষ্মবর্ণের ‘ষ’, ‘শ’, ‘স’ এবং ‘হ’-কেও মহাপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নিচে একটি সারণির মাধ্যমে বর্গের মহাপ্রাণ বর্ণগুলো দেখানো হলো:
| বর্গ | ২য় বর্ণ (মহাপ্রাণ) | ৪র্থ বর্ণ (মহাপ্রাণ) |
| ক-বর্গ | খ | ঘ |
| চ-বর্গ | ছ | ঝ |
| ট-বর্গ | ঠ | ঢ |
| ত-বর্গ | থ | ধ |
| প-বর্গ | ফ | ভ |