আয়ন কাকে বলে? আয়নের প্রকারভেদ, অ্যানায়ন কাকে বলে? ক্যাটায়ন কাকে বলে?

আয়ন কাকে বলে?  রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে সব পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছ (মূলক) এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জনের মাধ্যমে ঋণাত্মক বা ধনাত্মক চার্জগ্রস্থ হয়, তাকে আয়ন বলে। আয়নসমূহকে সাধারণত সংশ্লিষ্ট মৌলের প্রতীকের ডানপার্শ্বে ও উপরের দিকে ‘+’ বা ‘-’ চিহ্ন লিখে প্রকাশ করা হয়।উদাহরণ : সালফেট আয়ন (SO₄²–), হাইড্রোজেন আয়ন (H+)। আয়নের প্রকারভেদ আয়ন … Read more

রাসায়নিক বন্ধন কাকে বলে? রাসায়নিক বন্ধনের প্রকারভেদ ও রাসায়নিক বন্ধন গঠনের কারণ

রাসায়নিক বন্ধন কাকে বলে?  যে শক্তি বলে অণুতে পরমাণুগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে বন্ধন বা রাসায়নিক বন্ধন বলে। যেমন – পানির (H2O) একটি অণুতে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু রাসায়নিক বন্ধনে যুক্ত থাকে। রাসায়নিক বন্ধনের প্রকারভেদ রাসায়নিক বন্ধন বিভিন্ন প্রকার হয়। এছাড়াও রয়েছে- রাসায়নিক বন্ধন গঠনের কারণ শুধু নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের পরমাণুসমূহ মুক্ত … Read more

ভ্যান্ডার ওয়ালস শক্তি কাকে বলে?

অপোলার সমযোজী যৌগের অণুসমূহের মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলকে ভ্যান্ডার ওয়ালস শক্তি বলা হয়। এটি একটি অত্যন্ত দুর্বল বল। অপোলার সমযোজী মৌলিক অণু যেমন – O2, N2, Cl2 ইত্যাদি এবং যৌগিক অণু যেমন – CH4, C6H6 ও নিষ্ক্রিয় গ্যাসের অণুসমূহের মধ্যে এ শক্তি বিদ্যমান।

আয়নিক যৌগের বৈশিষ্ট্য

আয়নিক যৌগগুলি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তারা লবণ, সাবান, প্রসাধনী, ঔষধ, এবং অন্যান্য অনেক পণ্যে পাওয়া যায়। আয়নিক যৌগ কি? ইলেকট্রন বর্জন ও গ্রহন করে বিপরীত চার্জযুক্ত আয়ন সৃষ্টির মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের ফলে দুটি পরমাণুর মধ্যে আয়নিক বন্ধন সৃষ্টির মাধ্যমে যে যৌগের সৃষ্টি হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে। আয়নিক যৌগের … Read more

বাষ্পীভবন কাকে বলে? স্বতঃবাষ্পীভবন কাকে বলে? স্ফুটন কাকে বলে?

কোন তরলকে তার স্ফুটনাংকের উপরে তাপ প্রয়োগ করে ফুটিয়ে তরলকে বাষ্পে পরিণত করাকে বাষ্পীভবন বলে। কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। বাষ্পীভবন হলো তরল পর্যায় থেকে বাষ্প পর্যায়ে রূপান্তর। বাষ্পীভবন হবার সময় প্রদত্ত চাপে স্ফুটনাংকের নীচের তাপমাত্রায় ঘটে। বাষ্পীভবন পৃষ্ঠতলে ঘটে। বাষ্পীভবন তখনই ঘটে যখন কোনেও পদার্থের বাষ্পের আংশিক চাপ ভারসাম্যের বাষ্পের … Read more

সমযোজী যৌগসমূহ নিম্ন গলনাংক ও স্ফূটনাংক বিশিষ্ট হয় কেন?

সমযোজী যৌগ সাধারণত নিম্ন গলনাংক ও স্ফূটনাংক বিশিষ্ট। সমযোজী বন্ধনও শক্তিশালী। কিন্তু সমযোজী যৌগের অণুসমূহ একে অন্যের সাথে দুর্বল ভ্যান্ডার ওয়ালস শক্তি দ্বারা আকৃষ্ট থাকে। কোনো সমযোজী বস্তু কঠিন অবস্থা হতে তরল বা বায়বীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার সময় কেবল এই ভ্যান্ডার ওয়ালস শক্তিকে ছিন্ন করতে হয়। এ কারণে কম তাপমাত্রাতেই সমযোজী যৌগের অণুসমূহ কম্পন দ্বারা … Read more

আয়নিক যৌগসমূহ উচ্চ গলনাংক ও স্ফূটনাংক বিশিষ্ট হয় কেন?

আয়নিক যৌগে প্রতিটি আয়ন তার চতুর্দিকে বিপরীত আধানযুক্ত আয়ন দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। আয়নিক যৌগকে তরল করতে হলে অনেক বেশি তাপের প্রয়োজন। অধিক তাপে আয়নগুলো কম্পন দ্বারা বিপরীত আধানযুক্ত আয়নের আকর্ষণকে অতিক্রম করে মোটামুটি মুক্তভাবে বিচরণ করতে পারে। এদের বাষ্পীভূত করতে বিপরীত আধানযুক্ত আয়নের আকর্ষণ সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন করতে হয়। এ কারণে আয়নিক যৌগসমূহের গলনাংক ও স্ফূটনাংক … Read more

error: Content is protected !!