দহন বিক্রিয়া কাকে বলে? (Combustion Reaction)

কোনো মৌলকে বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে দহন বিক্রিয়া বলে।এ প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।উদাহরণস্বরূপ, কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। মিথেন … Read more

ইমালশান কাকে বলে? ইমালশানের প্রকারভেদ

ইমালশান কাকে বলে? একটি তরল পদার্থের মধ্যে অমিশ্রণীয় অন্য একটি তরল পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিন্দুর অাকারে বিস্তৃত থাকলে উক্ত তরল মিশ্রণকে ইমালসন বলে। ইমালসন কণা পরিমাপে সাধারণত কলয়েডীয় দ্রবণ হতে ভিন্ন। কলয়েডীয় কণার ব্যাস 1×10-3pm হতে 2×105 pm । কিন্তু ইমালসনের গোলাকার কণিকার ব্যাস প্রায় 1×104 pm। যেমন: দুধ, মাখন ইত্যাদি। ইমালশানের প্রকারভেদ প্রকারভেদ ইমালশান দুই প্রকার। … Read more

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কি?

বিভিন্ন ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে উৎপন্ন বর্জ্য গ্যাসে CO2, CO, SO2, SO3, NO2, CH4, CFC প্রভৃতি গ্যাস সমূহ বায়ু দূষক হিসেবে উপস্থিত থেকে বায়ুর দূষণ ঘটায় এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রায় যে বৃদ্ধি ঘটায় তাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলে।

লিমিটিং বিক্রিয়ক কাকে বলে?

রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে সকল পদার্থ অংশগ্রহণ করে তাদেরকে বিক্রিয়ক বলে এবং সকল পদার্থ উৎপন্ন হয় তাদেরকে উৎপাদ বলে। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একাধিক বিক্রিয়ক থাকলে বিক্রিয়া সংঘটনের জন্য সবগুলো বিক্রিয়ক নিখুঁতভাবে সরবরাহ করা যায় না। ফলে দেখা যায় কোনো একটি বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে শেষ হয়ে যায় এবং অন্য একটি বিক্রিয়ক বিক্রিয়া শেষে কিছু পরিমাণ উদ্বৃত্ত রয়ে যায় … Read more

মুদ্রা ধাতু কাকে বলে? Coinage metals

পর্যায় সারণির গ্রুপ- 11 মৌল সমূহ কপার (Cu), সিলভার (Ag) , গোল্ড (Au) এদেরকে মুদ্রা ধাতু বলে। প্রাচীনকালে এই ধাতু গুলির তৈরি মুদ্রা পণ্য ব্যবসা – বাণিজ্যে পণ্য বিনিময় কারক হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলে এমন নাম করন করা হয়। কপার (Cu) এর পারমাণবিক সংখ্যা 29 এবং ভরসংখ্যা 63.5,সিলভার (Ag) এর পারমাণবিক সংখ্যা 47 এবং ভরসংখ্যা 108.গোল্ড (Au) এর পারমাণবিক … Read more

অরবিটাল কাকে বলে? Orbital

নিউক্লিয়াসের চারদিকে যে নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক স্থানে কোন নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে ইলেকট্রনের অবস্থানের সম্ভাবনা বেশি থাকে তাকে অরবিটাল বলে। অর্থাৎ নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ইলেকট্রনের আবর্তনের সর্বাধিক সম্ভাব্য অঞ্চলকে অরবিটাল বলে। অরবিটালকে উপশক্তিস্তর বা উপকক্ষও বলা হয়। বিভিন্ন অরবিটালের আকৃতি বিভিন্ন অরবিটালের আকৃতি বিভিন্ন হয়। যেমন – s-অরবিটাল গোলাকার অর্থাৎ ত্রিমাত্রিক।p-অরবিটাল ডাম্বেল আকৃতির।d ও f – অরবিটালের আকৃতি জটিল … Read more

উপশক্তিস্তর কাকে বলে?

নিউক্লিয়াসের চারদিকে যে নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক স্থানে কোন নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে ইলেকট্রনের অবস্থানের সম্ভাবনা বেশি থাকে তাকে উপশক্তিস্তর বা অরবিটাল বলে।  অর্থাৎ নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ইলেকট্রনের আবর্তনের সর্বাধিক সম্ভাব্য অঞ্চলকে উপশক্তিস্তর বা অরবিটাল বলে। অরবিটালকে উপকক্ষও বলা হয়। বিভিন্ন উপশক্তিস্তরের আকৃতি বিভিন্ন অরবিটালের বা উপশক্তিস্তরের আকৃতি বিভিন্ন হয়। যেমন –s-অরবিটাল বা উপশক্তিস্তর গোলাকার অর্থাৎ ত্রিমাত্রিক।p-অরবিটাল বা উপশক্তিস্তর ডাম্বেল … Read more

error: Content is protected !!