বায়ু শূন্যকরণ কি?
পাত্র থেকে বায়ু বের করার ব্যবস্থাকে বায়ু শূন্যকরণ বলে।
পাত্র থেকে বায়ু বের করার ব্যবস্থাকে বায়ু শূন্যকরণ বলে।
যেসব পদার্থ বায়ুর কোনো উপাদান (জলীয় বাষ্প, অক্সিজেন, কার্বনডাই-অক্সাইড) দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে দীর্ঘদিন যাবত যাদের দ্রবণের ঘনমাত্রার পরিবর্তন ঘটে না তাদের প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। যেমন- Na2CO3, K2Cr2O7 ইত্যাদি।
পরিবেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কোনো পরীক্ষণ সম্পূর্ণ হওয়ার পর অব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্যাদি নিরাপদে পরীক্ষা স্থান থেকে অপসারণ করাকে নিরাপদ পরিত্যাগ বলে।
যে বিজ্ঞানের সাহায্যে বস্তু বা পদার্থের গঠন, প্রস্তুতপ্রণালী, ধর্মাবলি, ব্যবহার, তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবর্তন প্রভৃতি সুস্পষ্ট বিধিযোগে সুষ্ঠুরূপে পর্যালোচনা করা যায় তাকেই রসায়ন বিজ্ঞান বলে।
রসায়নের ল্যাবরেটরিতে গবেষণার জন্য প্রচলিত যে স্কেলে ভর হিসেবে 0.5 – 1 g পর্যন্ত এবং আয়তন হিসেবে 10 mL স্যাম্পল নিয়ে নিরীক্ষণ করা সম্ভব হয় তাকে ম্যাক্রো অ্যানালাইটিক্যাল পদ্ধতি বলে।
যে সমস্ত হ্যান্ড গ্লাভস ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীব দ্বারা পঁচনযোগ্য এবং পরিবেশ বান্ধব তাকে Disposable হ্যান্ড গ্লাভস বলে।
পাকা ফলে চিনি থাকে। তাই পাকা ফল মিষ্টি লাগে। কাঁচা ফলে জৈব এসিড থাকে। পাকা ফলের জৈব এসিড চিনিতে রূপান্তরিত হয়। ফলের প্রধান অংশ স্টার্চ। যা মিষ্টি নয়। ফল পাকলে স্টার্চ চিনিতে পরিণত হয়। তাই ফল পাকলে সাধারণত মিষ্টি হয়।
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় রসায়ন চর্চাকে ‘আল – কেমি’ বলা হয়। আল – কেমি শব্দটি আরবি শব্দ। আল কিমিয়া থেকে উদ্ভূত যা দিয়ে মিশরীয় সভ্যতাকে বুঝানো হতো।