পোলার যৌগ কারা?
যে সকল সমযোজী যৌগের বন্ধনে অংশগ্রহণকারী মৌলসমূহের তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য থাকে তারা পোলার যৌগ।
যে সকল সমযোজী যৌগের বন্ধনে অংশগ্রহণকারী মৌলসমূহের তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য থাকে তারা পোলার যৌগ।
যে সকল সমযোজী যৌগের বন্ধনে অংশগ্রহণকারী মৌল সমূহের তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য খুব কম তারা অপোলার সমযোজী যৌগ।
কোনো অণুর পরমাণু বা আয়নসমূহের আয়তনিক স্থানে আপেক্ষিক অবস্থানের জ্যামিতিক আকারকে ঐ অণুর আকৃতি বলে।
একই উপস্তরে বিদ্যমান অরবিটাল গুলোর শক্তি যদি সমান না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন হয় তাহলে তাদেরকে নন-ডিজেনারেট অরবিটাল বলে।
রসায়নের যে শাখায় ক্ষতিকর পদার্থের উৎপাদন এবং ব্যবহার হ্রাসকরণে রাসায়নিক উৎপাদ ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ার আবিষ্কার, ডিজাইন এবং প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করে তাকে গ্রিন কেমিস্ট্রি বলে।
যে সকল মৌলের অপূর্ণ f অরবিটাল আছে তাদের আন্তঃঅবস্থান্তর মৌল বলে।
যে সকল মৌল বন্ধন গঠনের সময় সর্ববহিঃস্থ স্তরে ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাদের অধাতু বলে।
যে সকল মৌল বন্ধন গঠনের সময় তাদের সর্ববহিঃস্থ স্তরের ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাদের ধাতু বলে। অথবা, যেসব মৌল রাসায়নিক বন্ধন গঠন কালে ইলেকট্রন ত্যাগ করে ক্যাটায়ন উৎপন্ন করে, তাদেরকে ধাতু বলে। যেমন – সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, লোহা, তামা ইত্যাদি।