আগুন লাগা শিক্ষার্থীকে কি প্রয়োগ করলে শ্বাসরূদ্ধ হয়ে মারা যাবে?
আগুন লাগা শিক্ষার্থীকে ফায়ার এক্সটিংগুইশার প্রয়োগ করলে শ্বাসরূদ্ধ হয়ে মারা যাবে।
আগুন লাগা শিক্ষার্থীকে ফায়ার এক্সটিংগুইশার প্রয়োগ করলে শ্বাসরূদ্ধ হয়ে মারা যাবে।
বীকারের দ্রবণকে উত্তপ্ত করতে হলে ত্রিপদী স্ট্যান্ডের ওপর রক্ষিত তারজালির ওপর রেখে স্বল্প তাপমাতায় করতে হবে। কোনমতেই সরাসরি উন্মুক্ত শিখায় তাপ দেয়া যাবে না, সীমিত নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করতে হলে বৈদ্যুতিক হিটারে তাপ দেওয়া যায়। তবে, সবচেয়ে উত্তম পন্থা হলো, পানি গাহে তাপ দেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সহজ।
ল্যাবরেটরিতে লবণ শনাক্তকরণের যে সকল উপাদান সিংকের মাধ্যমে পরিবেশে অবমুক্ত হয়, ক্যাটায়ন হিসেবে রাসায়নিক দ্রব্য সিংকের মাধ্যমে আশে পাশের পানিতে মিশে গিয়ে পরিবেশ দূষণ ঘটায়। যা একই সাথে মাটি ও পানিকে দূষিত করে। যেমন – Hg2+, Pb2+, Cu2+, As3+, Zn2+, Mn2+, Fe2+, Fe3+, Co2+, Ni2+ ইত্যাদি।
খাদ্য দ্রব্যকে ভিনেগারে ডুবিয়ে রাখলে উচ্চ অম্লীয় পরিবেশে অণুজীব বাঁচতে পারে না, তাই খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষিত হয়। ফল, সবজি, মাংস এবং মাছ পিকলিং যুক্ত করে সংরক্ষণ করা হয়। পিকলিং কৃত খাদ্য মসলা, লবণ বা চিনি যুক্ত করে খাদ্যের স্বাদ বৃদ্ধি করা হয়। পিকলিংকে অন্য খাদ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত করা হয়। যেমন – লবণের দ্রবণে শসাকে … Read more
যেসব উপাদান খাদ্যের সাথে পরিমিত পরিমাণে মিশিয়ে খাদ্যে বিভিন্ন অণুজীবসমূহের আক্রমণ ও বংশ বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করে এরাই মূলত প্রিজারভেটিভস।
গ্লাসটিউব কাঁটার পর দু’প্রান্তকে বুনসেন বার্নারের সাথে তাপ দিয়ে মসৃণ করার পদ্ধতিকে ফায়ার পলিশিং বলে।
‘আইক্যাপ’ এক ধরনের বিশেষ ল্যাবরেটরি নিরাপত্তা সামগ্রী যাতে পাতিত পানি ভরে চোখের উপরের ও নিচের পর্দা একটু সরিয়ে চোখে পড়িয়ে দেয়া হয়, যাতে করে চোখে লেগে যাওয়া রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব হতে চোখকে বাঁচানো যায়।
মাইক্রো অ্যানালাইটিক্যাল পদ্ধতি মূলত মিলিগ্রাম পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত বস্তু বা পরীক্ষণীয় দ্রবণের ভর বা আয়তন 5 mg এবং 0.1 mL ই যথেষ্ট। এই অ্যানালাইটিক্যাল পদ্ধতিতে খুব কম পরিমাণ বস্তু ব্যবহার করে রাসায়নিক বিশ্লেষণ বা অ্যানালাইসিস করা হয় বলে একে Spot analysisও বলে।