নমুনা বিশ্লেষণে সেমিমাইক্রো পদ্ধতির সুবিধা কী কী?

নমুনা বিশ্লেষণে সেমি মাইক্রো পদ্ধতির সুবিধাঃ১) রাসায়নিক দ্রব্য কম লাগে তাই পদ্ধতিটি অনেক সস্তা।২) অল্প সময় লাগে বিধায় পদ্ধতিটি খুব উপযোগী।৩) কম দ্রাবক ব্যবহারের জন্য বর্জ্য খুব কম হয়।

দ্রবণ প্রস্তুতিতে আয়তনমাপিক ফ্লাস্ক ব্যবহারের সুুবিধা কী?

আয়তনমাপিক ফ্লাস্ক এর সাহায্যে সহজে প্রমাণ দ্রবণ তৈরি ও সংরক্ষণ করা যায়। এর গলায় দাগ কাটা থাকায় আলাদাভাবে দ্রবণ তৈরির সময় পরিমাপ করতে হয় না। এছাড়া ফ্লাস্কের মুখ গ্লাস বা টেফলনের ছিপি দ্বারা বন্ধ থাকে। যার ফলে দ্রবণ কোনভাবেই পড়ে যাবে না।

শিক্ষার উপাদানগুলি কি কি?

শিক্ষার প্রধান প্রধান উপাদানগুলো হলো – ১) শিক্ষার্থী২) শিক্ষক৩) শিক্ষাক্রম৪) শিক্ষায়লয় বা বিদ্যালয়৫) সহশিক্ষাক্রমিক কার্যাবলী৬) শিক্ষায় নেতৃত্ব৭) শিক্ষার পরিবেশ৮) ঝড়ে পড়া৯) শিক্ষার সংযোগ১০) সমাবর্তন

Laboratory তে ব্যবহৃত চশমা কয় প্রকার ও কী কী?

ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক পদাথ হতে চোখকে নিরাপদ রাখার জন্য দু’ধরনের চশমা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন – ১) নিরাপদ চশা (Safety glass)২) রাসায়নিক স্প্লাশ গগলস (Chemical splash goggles)

Disposable হ্যান্ড গ্লাভস কী? সুবিধা

যে হ্যান্ড গ্লাভস ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীব দ্বারা পঁচনযোগ্য এবং পরিবেশ বান্ধব তাকে Disposable হ্যান্ড গ্লাভস বলে। সাধারণত প্লাস্টিক বা রাবার দিয়ে তৈরি, এই গ্লাভসগুলি বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয় যেমন- Disposable হ্যান্ড গ্লাভসের সুবিধা কখন Disposable হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা উচিত? Disposable হ্যান্ড গ্লাভস একবার ব্যবহারের পরই ফেলে দেওয়া উচিত। পুনরায় ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে … Read more

চোখে ক্ষার লাগলে কি পরিমাণ এসিড ব্যবহার করতে হবে?

বোরিক এসিডের সম্পৃক্ত দ্রবণের কয়েক ড্রপ। চোখে ক্ষার লাগলে কোনো অবস্থাতেই এসিড ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি একটি খুব গুরুতর ভুল ধারণা। চোখে ক্ষার লাগলে এসিড দিয়ে নিরপেক্ষ করার চেষ্টা করা বিপজ্জনক এবং চোখের আরও বেশি ক্ষতি করতে পারে। চোখে ক্ষার লাগলে কী করবেন? পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন: প্রচুর পরিমাণ পানি দিয়ে কমপক্ষে 15-20 মিনিট … Read more

ক্যালিব্রেশন কী?

ক্যালিব্রেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন স্কেল বা পরিমাপ কাঠামোকে পরিমাপের শুরুতে আদর্শ বা জানা পরিমাণের সাহায্যে যাচাই করে নেয়া হয় এবং এতে করে পরিমাপ বা ব্যালেন্সিং এর নির্ভুল মান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

ম্যাক্রো অ্যানাইটিক্যাল পদ্ধতি কী?

রসায়নের ল্যাবরেটরিতে গবেষণার জন্য প্রচলিত যে স্কেলে ভর হিসেবে 0.5 – 1 g পর্যন্ত এবং আয়তন হিসেবে 10 mL স্যাম্পল নিয়ে নিরীক্ষণ করা সম্ভব হয় তাকে ম্যাক্রো অ্যানালাইটিক্যাল পদ্ধতি বলে।

error: Content is protected !!