যৌথ মূলধনী কোম্পানি কাকে বলে?
যৌথ মূলধনী কোম্পানি হলো কোম্পানি আইন দ্বারা গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায় সংগঠন।
যৌথ মূলধনী কোম্পানি হলো কোম্পানি আইন দ্বারা গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায় সংগঠন।
আইন – অনুযায়ী অংশীদারি ব্যবসায়ের দায় অসীম। ব্যবসায়ে বিনিয়োগকৃত মূলধনের বাইরেও অংশীদারদের ব্যক্তিগত দায় সৃষ্টি হয়। কোনো দেউলিয়া অংশীদারের দায়ও অন্যদের বহন করতে হয়। আবার, কোনো পাওনাদার যেকোনো অংশীদারের বিরুদ্ধে মামলা করে তার পাওনা আদায় করতে পারে। তাই বলা হয়, অংশীদারি ব্যবসায়ের দায় অসীম।
স্মারকলিপি হলো কোম্পানির মূল দলিল, সনদ বা সংবিধান, যাতে কোম্পানির মূল বিষয়াবলি সংক্ষিপ্ত আকার লেখা থাকে।
রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়কে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলে।রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় সাধারণত রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত হয়। তবে ব্যক্তিমালিকানাধীন যেকোনো ব্যবসায়কে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে জাতীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ে রূপান্তর করা যায়। এরূপ ব্যবসায়ের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা সরকার কর্তৃক নির্বাহ করা হয়। তাই জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রের অধীনে ও নিয়ন্ত্রণে গঠিত ব্যবসায় হলো রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়।
কয়েকজন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ব্যক্তির নিজেদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য সমবায় সমিতি গঠন করে।সমবায় সমিতি গঠনের প্রথম পর্যায়টি হলো উদ্যোগ গ্রহণ পর্যায়। এতে ন্যূনতম ২০ জন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এতে ৬ জনের ব্যবস্থাপনা কমিটি থাকে। উক্ত কমিটি সমিতির উপবিধি তৈরি করে। এ পর্যায়ে সমিতির জন্য সিলমোহরও তৈরি করা হয়। এসবই সমবায় সমিতির উদ্যোগ … Read more
অংশীদারদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, মনোমালিন্য, বিরোধ এবং মামলা এ ধরনের চুক্তি লিখিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। চুক্তির ভিত্তিতে অংশীদার ব্যবসায় গঠিত হয়। এ চুক্তি মৌলিক ও লিখিত উভয় হতে পারে। চুক্তি লিখিত হবার ব্যাপারে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে চুক্তি লিখিত হলে ভবিষ্যতে অংশীদারদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বিরোধ ও মামলা সংক্রান্ত সমস্যা সহজে সমাধান করা যায়। এজন্যই অংশীদারি … Read more
চুক্তিপত্র অংশীদারি ব্যবসায়ের দিক-নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বা জাতীয় সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে গঠিত হয়।