মিনির মা কাবুলিওয়ালার দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে বলেছিলেন কেন?

মিনির মা কাবুলিওয়ালাকে বিশ্বাস করতে পারেননি বলে তার দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে বলেছিলেন।.প্রথম পরিচয়ের দিন মিনি কাবুলিওয়ালাকে দেখে ভয় পেলেও ধীরে ধীরে তার ভয় কেটে যায়। ছোট্ট মিনির মন জয় করা খুব সহজ ছিল। সে সামান্য পেস্তা বাদাম পেয়েই খুশি। কাবুলিওয়ালা সামান্য পেস্তা বাদাম দিয়েই তার ক্ষুদ্র হৃদয়টুকু অধিকার করে নিয়েছিল।

“প্রথম পরিচয়টা এমনি ভাবে গেল”-ব্যাখ্যা

মিনির সঙ্গে কাবুলিওয়ালার প্রথম পরিচয় ঘটনার কথা এখানে বলা হয়েছে।কাবুলিওয়ালাকে ডেকে আনলেও তার ঝুলি দেখেই মিনি দৌড়ে ঘরের ভেতর চলে যায়। মিনির বাবা মিনির অমূলক ভয় ভাঙিয়ে তাকে অন্তঃপুর থেকে ডেকে আনলেন। সে বাবার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকে। কাবুলিওয়ালা তাকে বাদাম-কিশমিশ দিতে গেলে সে দ্বিগুণ সন্দেহে বাবার হাঁটুসংলগ্ন হয়ে থাকে। এই ভয় আর সন্দেহের মধ্য … Read more

মিনি কাবুলিওয়ালাকে দেখে ভয় পেয়েছিল কেন?

কাবুলিওয়ালার অদ্ভুত সাজ-পোশাক দেখে মিনি ভয় পেয়েছিল। কাবুলিওয়ালার পরনে ময়লা ঢিলা কাপড়, মাথায় পাগড়ি, ঘাড়ে ঝুলি আর হাতে গোটা দুই-চার আঙুলের বাক্স। তার ঝুলিটার প্রতিই ছিল মিনির ভয়। তার মনের মধ্যে একটা অন্ধবিশ্বাস ছিল যে, কাবুলিওয়ালার সেই ঝুলির মধ্যে তার মতো দু-চারটা জীবিত মানবসন্তান আছে। তাদের মতো বুঝি কাবুলিওয়ালা তাকেও ধরে নিয়ে যাবে। তাই সে … Read more

আঘাত করার কারণে রহমতকে কী করতে হয়েছিল?

লেখকের প্রতিবেশীকে সাংঘাতিক আঘাত করার অপরাধে রহমতকে কারাবরণ করতে হয়েছিল।লেখকের এক প্রতিবেশী রামপুরী চাদরের জন্য রহমতের কাছে সামান্য ঋণগ্রস্থ ছিল। কিন্তু প্রতিবেশী মিথ্যা কথা বলে সেই দেনা অস্বীকার করে। এ নিয়ে সেই লোকের সঙ্গে ঝগড়া করতে করতে রহমত তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। আর এই অপরাধ করার কারণে তার কয়েক বছরের কারাদণ্ড হয়।

কাবুলিওয়ালাকে জেলে যেতে হয়েছিল কেন?

মিনিদের এক প্রতিবেশীকে সাংঘাতিক আঘাত করার অপরাধে কাবুলিওয়ালাকে জেলে যেতে হয়েছিল।এক লোক রহমতের কাছে সামান্য ঋণগ্রস্থ ছিল। কিন্তু সে তা অস্বীকার করে এবং এ নিয়ে রহমতের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে রহমত তার গায়ে ছুরি বসিয়ে দেয়। এই অপরাধে কাবুলিওয়ালাকে জেলে যেতে হয়।

মিনির বাবার চোখ ছলছল করে উঠল কেন?

রহমতের কাছে তার মেয়ের ছোট্ট হাতের ভুষা মাখানো ছাপ দেখে লেখকের চোখ ছলছল করে উঠল।জেল থেকে ছাড়া পেয়ে রহমত মিনিকে দেখতে আসে কিছু কিশমিশ, আঙ্গুর ও বাদাম নিয়ে। লেখক সেগুলোর দাম দিতে চাইলে রহমত বলে মিনির মতো তারও একটি মেয়ে আছে। তার কথা স্মরণ করেই সে এগুলো নিয়ে এসেছে। এই বলে সে তার জামার ভিতর … Read more

মিনির মা অত্যন্ত শঙ্কিত স্বভাবের মহিলা – বুঝিয়ে দাও।

মেয়ের প্রতি স্নেহ-মমতার কারণেই মিনির মা অত্যন্ত শঙ্কিত থাকতেন। তাই তাকে শঙ্কিত স্বভাবের মহিলা বলা হয়েছে।কাবুলিওয়ালা ছিল বাইরের অপরিচিত লোক। মিনির সঙ্গে তার ভাব দেখে মিনির মা শঙ্কিত হন। কারণ শিশু পাচারকারীরা শিশুদের খাদ্য, খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে নিয়ে যায়। তিনি সবসময় মেয়েকে চোখে চোখে রাখতেন এবং স্বামীকেও সেদিকে খেয়াল রাখতে বলতেন। সবসময় শঙ্কা প্রকাশ করায় … Read more

error: Content is protected !!