নিত্য সমাস কাকে বলে?

যে সমাসে প্রকৃতপক্ষে ব্যাসবাক্য হয় না, ব্যাসবাক্য করতে চাইলে অন্য পদের সাহায্যে সমস্তপদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকেই নিত্য সমাস বলে।যেমনঃ অন্য দেশ = দেশান্তর; ঈষৎ লাল = লালচে; অন্যকাল = কালান্তর ইত্যাদি। সন্ধিবদ্ধ এই উদাহরণটিতে ব্যাসবাক্য ও সমাসবদ্ধ পদ একই। ব্যাসবাক্যটিতে সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে বলে একে নিত্য সমাস বলে। নিত্য সমাসের উদাহরণঃ নং  ব্যাসবাক্য  … Read more

অব্যয় কাকে বলে?

যে সমস্ত পদে বিভক্তি যুক্ত হয় না, লিঙ্গ, বচন, পুরুষভেদে যাদের কোনো পরিবর্তন হয় না তাদের অব্যয় বলে। অব্যয় অর্থাৎ নাই ব্যয় যার।সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে, বাক্যগত উক্তিকে এবং বাক্যস্থ পদগুলির সম্বন্ধকে স্থান, কাল, পাত্র ও প্রকার বিষয়ে পরিস্ফুট করে দেয় যে পদগুলি তাদের অব্যয় বলে। অব্যয়ের প্রয়োজনীয়তা অব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ অব্যয় প্রধানত চার প্রকার। যথাঃ

সম্বন্ধ পদ কাকে বলে?

ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্বন্ধ না রেখে যে নাম পদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাকে সম্বন্ধ বলে।যেমন- আসিয়ার ভাই বাড়ি যাবে। এখানে ‘আসিয়ার’ সঙ্গে ‘ভাই’-এর সম্পর্ক আছে, কিন্তু ‘যাবে’ ক্রিয়ার সাথে সম্বন্ধ নেই।জ্ঞাতব্যঃ ক্রিয়ার সঙ্গে সম্বন্ধ পদের সম্বন্ধ পদকে কারক বলা হয় না। সম্বন্ধ পদের বিভক্তি ক) সম্বন্ধ পদের ‘র’ বা ‘এর’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে থাকে। … Read more

আঞ্চলিক ভাষা কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য

আঞ্চলিক ভাষা কাকে বলে? সাধারণত কোনো দেশের অঞ্চলভেদে যে কথ্য ভাষা ব্যবহৃত হয়, তাকেই আঞ্চলিক ভাষা বলে।প্রত্যেক দেশেই স্থান বা অঞ্চলভেদে আঞ্চলিক ভাষার মধ্যে ভিন্নতা দেখা যায়।যেমনঃ বিভিন্ন স্থানে মেয়ে শব্দটি বিভিন্নরূপ লাভ করেছে- মেয়ে থেকে “পুরি”, “মাইয়া”, “ছেমড়ি”, “ছেড়ি” ইত্যাদি নামে বলা হয়।অথবা, ভৌগলিক ব্যবধান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, সমাজগঠন, ধর্ম, পেশা ইত্যাদি কারণে এক এলাকার ভাষার … Read more

অনুসর্গ কাকে বলে? অনুসর্গের প্রয়োজনীয়তা | অনুসর্গকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?

অনুসর্গ কাকে বলে? বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল শব্দ বা অব্যয় বাক্যের মধ্যে অবস্থিত বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের পরে আলাদাভাবে বসে শব্দ বিভক্তির কাজ করে তাদের অনুসর্গ বলে।অনুসর্গের অপর … Read more

ট্রাজেডি কাকে বলে? ট্রাজেডির বৈশিষ্ট্য

ট্রাজেডি কাকে বলে? রস বিচারে নাট্যসাহিত্যের একটি অন্যতম রূপবৈচিত্র্য হলো ট্রাজেডি। সাহিত্যের অন্যান্য শাখার সঙ্গে শব্দটি যুক্ত হলেও মূলত নাট্য শিল্পেই ট্র্যাজেডি কথাটি অধিক প্রচলিত। আপাত অর্থে বিয়োগান্তক বা করুন রসাত্মক রচনাই ট্রাজেডিরূপে প্রচলিত। ইংরেজি ‘Tragedy’ শব্দটি গ্রীক ‘Tragoedia’ শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার বুৎপত্তিগত অর্থ ‘goat song’ বা ছাগগীতি। প্রাচীন গ্রীক দেবী ডায়োনিশাসের … Read more

অতিপর্ব কাকে বলে?

ছন্দে, অতিপর্ব হল এমন একটি পর্ব যা ছন্দের সাধারণ মাত্রার চেয়ে কম মাত্রার। সাধারণত, একটি ছন্দের পর্ব চার মাত্রার হয়, তবে অতিপর্বের মাত্রা দুটি বা তিন হতে পারে। অতিপর্বের উপস্থিতি ছন্দকে আরও জীবন্ত এবং প্রাণবন্ত করে তোলে। বাংলা ছন্দে, অতিপর্বের কয়েকটি উদাহরণ হল: অতিপর্বের ব্যবহার ছন্দের সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

প্রমিত ভাষা কাকে বলে? প্রমিত ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য | ব্যবহার | গুরুত্ব

প্রমিত ভাষা কাকে বলে? প্রমিত ভাষা হলো একটি ভাষার একটি নির্দিষ্ট রূপ যা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। প্রমিত ভাষা সাধারণতঃ একটি ভাষার লিখিত রূপের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে এবং এটি একটি ভাষার অন্যান্য রূপগুলি থেকে পৃথক হয়। প্রমিত ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য প্রমিত ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো: প্রমিত ভাষার কিছু … Read more

error: Content is protected !!