বাচ্যার্থ কি?
যে সকল শব্দ তাদের আভিধানিক অর্থে ব্যবহৃত হয়, আভিধানিক অর্থই তাদের বাচ্যার্থ।
যে সকল শব্দ তাদের আভিধানিক অর্থে ব্যবহৃত হয়, আভিধানিক অর্থই তাদের বাচ্যার্থ।
যে বাক্যে কর্তার অর্থ – প্রাধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে। যেমন – ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় ‘বাচ্য’।
যে সকল শব্দ তাদের আভিধানিক অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে, অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, ঐ অন্য অর্থগুলো তাদের লক্ষ্যার্থ।
যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।যেমন – শিকারি কর্তৃক ব্যাঘ্র নিহত হয়েছে।
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।যেমন – আমার খাওয়া হবে না।
কোনো কথকের বাক কর্মের নামই উক্তি।উক্তি দুই প্রকার।যথা –ক. প্রত্যক্ষ উক্তি ওখ. পরোক্ষ উক্তি।
যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে। যথা – তিনি বললেন, “বইটা আমার দরকার”।