অর্থনৈতিক কর্তব্য কী?
কর্মক্ষম সকল নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় উৎপাদন ও উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা, নিয়মিত খাজনা ও কর প্রদান করাই অর্থনৈতিক কর্তব্য।
কর্মক্ষম সকল নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় উৎপাদন ও উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা, নিয়মিত খাজনা ও কর প্রদান করাই অর্থনৈতিক কর্তব্য।
জাতি গঠনের একটি শক্তিশালী উপাদান হলো বংশগত উপাদান। কোনো জনসমাজ যখন বিশ্বাস করে যে, তাদের শিরা-উপশিরায় একই রক্ত প্রবাহিত এবং তাদের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য অভিন্ন তখন স্বভাবতই তাদের মধ্যে স্বজনপ্রীতি দেখা দেয়। রক্তের সম্পর্ক মানুষের মধ্যে একাত্মতার ভাব গড়ে তোলে, যা গভীর জাতীয়তাবোধের সৃষ্টি করে এবং বংশগত ঐক্যের সৃষ্টি হয়।
সরকারের যাবতীয় কার্যাবলিকে প্রধানত আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের হাতে পৃথক পৃথকভাবে ন্যস্ত করার নীতিকেই ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ নীতি বলা হয়। ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ নীতি অনুযায়ী সরকারের প্রত্যেকটি বিভাগ অন্য বিভাগের হস্তক্ষেপমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবে।
সাধারণত কোনো দেশে চলে আসা রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের মনোভাব, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টিকে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলে। কোনো দেশের রাজনৈতিক মূল্যবোধের প্রতীক হলো রাজনৈতিক সংস্কৃতি। প্রকৃত প্রস্তাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো কোনো দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দেশবাসীর ভাবগত ধারণা, মানসিক অনুভূতি ও বিশেষ মনোবৃত্তি।
পৌরনীতি হলো জ্ঞানের সেই মূল্যবান শাখা যা নাগরিকতার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পৌরনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Civics। ল্যাটিন শব্দ ‘Civis’ ও ‘Civitas’ হতে ইংরেজি Civics শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। এদের অর্থ যথাক্রমে নাগরিক ও নগর রাষ্ট্র। সুতরাং উৎপত্তিগত দিক থেকে পৌরনীতি নাগরিক ও নগররাষ্ট্র সংক্রান্ত বিজ্ঞান। মূলগত অর্থে পৌরনীতি বলতে নগররাষ্ট্র এবং নাগরিকের আচরণ ও দায়িত্ব-কর্তব্য … Read more
সুশৃঙ্খল সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন গঠনে সাহায্য করে বলেই মানুষ আইন মেনে চলে। জন অষ্টিনের মতে, “লোকে আইন মেনে চলে, কেননা তা রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত ও প্রযুক্ত। আইন ভঙ্গ করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শান্তি পেতে হয়।” জ্যাঁ জ্যাঁক রুশো, টি.এইচ. গ্রিন প্রমুখ লেখক মনে করেন, কতকগুলো সুস্পষ্ট যুক্তির কারণেই মানুষ আইন মেনে চলে। আইন ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা … Read more
বিশেষ ক্ষমতাবলে জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্রপতি যখন কোনো নতুন আদেশ জারি করে এবং পরবর্তীতে যা আইন পরিণত হয় তাকে অধ্যাদেশ বলে।
জবাবদিহিতা হচ্ছে ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত কর্ম সম্পর্কে উক্ত ব্যক্তির ব্যাখ্যাদানের বাধ্যবাধকতা। জবাবদিহিতা সুশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। জবাবদিহিতা ছাড়া সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সুশাসনে জবাবদিহিতা বলতে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের পাশাপাশি নাগরিক সেবাদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের জবাবদিহিতাকেও বোঝায়। যেকোনো রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে জবাবদিহিতা সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।