সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র কাকে বলে?
একাধিক লেন্স সমবায়ে গঠিত যে আলোকীয় যন্ত্রের সাহায্যে নিকটবর্তী অতি ক্ষুদ্র বস্তুর বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব গঠন করে খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় তাকে সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
একাধিক লেন্স সমবায়ে গঠিত যে আলোকীয় যন্ত্রের সাহায্যে নিকটবর্তী অতি ক্ষুদ্র বস্তুর বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব গঠন করে খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় তাকে সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
আলোর প্রতিসরণ দুইটি সূত্র মেনে চলে। সূত্র দুইটিকে প্রতিসরণের সূত্র বলে। সূত্রগুলো নিম্নে প্রদত্ত হলো-
একটি তরঙ্গ যখন অন্য একটি তরঙ্গের ওপর আপতিত হয়ে ব্যতিচার ঘটায় তখন কোনো স্থানে তরঙ্গদ্বয় পরস্পর বিপরীত দশায় মিলিত হলে ঐ স্থানে লব্ধি তরঙ্গের বিস্তার/তীব্রতা সর্বনিম্ন হয়। একে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার বলে।
কোনো তরঙ্গের ওপর অবস্থিত সমদশাসম্পন্ন কণাগুলোর গতি পথকে তরঙ্গমুখ বলে।
দুটি সুসংহত উৎস হতে নিঃসৃত সমান কম্পাঙ্ক ও বিস্তারের দুটি আলোক তরঙ্গ কোনো মাধ্যমের কোনো একটি বিন্দুর মধ্য দিয়ে একই সঙ্গে গমন করলে তরঙ্গ দুটির উপরিপাতনের ফলে বিন্দুটি কখনও কখনও খুব উজ্জ্বল ও কখনও কখনও অন্ধকার দেখায়। আলোকের এ ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।
প্রত্যেক প্রতিফলকের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ কোণ আছে যে কোণে অসমবর্তিত আলো আপতিত হলে প্রতিফলিত রশ্মি সমবর্তিত আলোতে পরিণত হয়। এ কোণকে ব্রীউস্টার কোণ বলে।
একটি তলে কিংবা এর সমান্তরাল তলে কম্পমান আড় তরঙ্গ বিশিষ্ট আলোকে সমবর্তিত আলোক বলে।
তরঙ্গ কাকে বলে? যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থানান্তরিত করে না তাকে তরঙ্গ বলে। সরল ছন্দিত স্পন্দন সঞ্চালিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে তরঙ্গ বলে। পুকুরের স্থির পানিতে একটি ঢিল ছুড়ে মারা হলো। ঢিলটি যখন পানিতে আঘাত করে তখন ঐ স্থানের পানির কণাগুলো আন্দোলিত হয়। এই আন্দোলিত কণাগুলো … Read more