ইলেক্ট্রোস্কোপ কী?
যে যন্ত্রের সাহায্যে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে ইলেক্ট্রোস্কোপ বলে।
যে যন্ত্রের সাহায্যে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে ইলেক্ট্রোস্কোপ বলে।
যে তড়িৎক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে প্রাবল্যের মান সমান ও অভিমুখ একই হয় তাকে সুষম তড়িৎক্ষেত্র বলে। সুষম তড়িৎক্ষেত্রের বলরেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল ও সম-ঘনত্ববিশিষ্ট হয়। কয়েকটি সমান্তরাল সরলরেখা অঙ্কন করে তাতে তীর চিহ্ন দিয়ে সুষম তড়িৎক্ষেত্র নির্দেশ করা হয়। কোন আধান থেকে বহু দূরে খুব অল্প জায়গায় তড়িৎক্ষেত্র মোটামুটি সুষম ধরা যেতে পারে।
কোনো ধারকের ধারকত্ব 2F বলতে বুঝায়, পাতদ্বয়ের মধ্যে 1 ভোল্ট বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে অন্তরীত পরিবাহীতে 2 কুলম্ব চার্জ প্রদান করতে হবে।
পরিবাহকের পৃষ্ঠের কোনো বিন্দুকে ঘিরে প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর চার্জের পরিমাণকে ঐ বিন্দুর চার্জের তল ঘনত্ব বলে। অথবা, কোনো চার্জিত পরিবাহীর পৃষ্ঠে কোনো বিন্দুর চারদিকে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ চার্জ থাকে তাকে ঐ বিন্দুর চার্জের তল ঘনত্ব বলে। একে চার্জের তলমাত্রিক ঘনত্ব বা আধান ঘনত্বও বলা হয়।
রোধের তাপমাত্রা সহগ K-1 ।
তড়িৎ প্রবাহের সময় এর মুক্ত ইলেকট্রনগুলো একটি ধ্রুব গড় দ্রুতি নিয়ে চলতে থাকে। একে ইলেকট্রনের তাড়ন দ্রুতি বলে।
ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র প্রদান করেন। সূত্রটি হলো-বাইরের শক্তির সাহায্য ছাড়া কোনো স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের পক্ষে নিম্ন তাপমাত্রার কোনো বস্তু থেকে উচ্চ তাপমাত্রার কোনো বস্তুতে তাপের স্থানান্তর সম্ভব নয়।