বিভিন্ন পদার্থের রোধকত্ব
বিভিন্ন পদার্থের রোধকত্ব নিম্নরূপ- পদার্থ রোধকত্ব(Ωm) রূপা 1.6×10-8 তামা 1.7×10-8 টাংস্টেন 5.5×10-8 নাইক্রোম 100×10-8 আরো পড়ুনঃ
বিভিন্ন পদার্থের রোধকত্ব নিম্নরূপ- পদার্থ রোধকত্ব(Ωm) রূপা 1.6×10-8 তামা 1.7×10-8 টাংস্টেন 5.5×10-8 নাইক্রোম 100×10-8 আরো পড়ুনঃ
স্কেলার রাশি ও ভেক্টর রাশির পার্থক্য নিম্নরূপ- স্কেলার রাশি ভেক্টর রাশি ১. স্কেলার রাশির শুধু মান আছে দিক নেই। ১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে। ২. সাধারণ গাণিতিক নিয়মে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ করা যায়। ২. সাধারণ গাণিতিক নিয়মে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ করা যায় না। ৩. শুধু মানের পরিবর্তনে পরিবর্তিত হয়। ৩. … Read more
পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় আমরা জড় জগতের যে নির্দিষ্ট তাপীয় অংশ বিবেচনা করি তাকে তাপীয় সিস্টেম বলে। আরো পড়ুনঃ
যদি তাপকে সম্পূর্ণরূপে কাজে বা কাজকে সম্পূর্ণরূপে তাপে রূপান্তরিত করা যায় তবে কৃতকাজ তাপের সমানুপাতিক। আরো পড়ুনঃ
যে প্রক্রিয়ায় কোনো গ্যাসীয় বিস্টেমের চাপ ও আয়তন পরিবর্তিত হয় কিন্তু তাপমাত্রা স্থির থাকে তাকে সমোষ্ণ প্রক্রিয়া বলে। অথবা, যে পরিবর্তনে গ্যাসের তাপমাত্রা সর্বদা ধ্রুব থাকে তাকে সমোষ্ণ পরিবর্তন বলে। স্থির তাপমাত্রায় যদি কোনো গ্যাসকে প্রসারিত অথবা সঙ্কুচিত করা হয় তবে সেই পরিবর্তনকে সমোষ্ণ প্রসারণ বা সমোষ্ণ সঙ্কোচন বলে এবং যে প্রক্রিয়ায় এ পরিবর্তন ঘটে … Read more
যেসব পদার্থের তড়িৎ রোধ তাপমাত্রার সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে থার্মিস্টর বলে। বিভিন্ন প্রকার অর্ধপরিবাহী অক্সাইড চূর্ণ (লোহা, কোবাল্ট, নিকেল ইত্যাদির অক্সাইড) মিশিয়ে থার্মিস্টর তৈরি করা হয়।
একক সময়ে পরিবাহিত ডেটার পরিমাণই হচ্ছে ব্যান্ড উইডথ। অর্থাৎ একটি মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে উৎস পয়েন্ট থেকে গন্তব্যের দিকে যে পরিমাণ ডেটা একক সময়ে পরিবাহিত হতে পারে তাকে বলা হয় ব্যান্ড উইডথ। একে মাপা হয় বিপিএস (bps) এ। ব্যান্ডউইডথ কে ডেটা ট্র্রান্সমিশন স্পিডও বলা হয়।
কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থার সাথে শক্তি বিনিময়ে সক্ষম যেকোনো ব্যবস্থাকে ঐ ব্যবস্থার পরিপার্শ্ব বলে।