স্বরগ্রাম কাকে বলে?

নির্দিষ্ট কম্পাঙ্ক বা তীক্ষ্মতার কয়েকটি সাজানো সুরকে স্বরগ্রাম বলা হয়। যেকোনো সুর ও তার অষ্টক বা দ্বিগুণ কম্পাঙ্কবিশিষ্ট সুরের মধ্যে কয়েকটি নির্দিষ্ট সুর আমাদের কানে সহজে দেয়। এ সুরগুলোর মধ্যে সমসংগতি বজায় থাকে বলে এরা সঙ্গীত গুণসম্পন্ন হয়। এরূপ সমসংগতিপূর্ণ কতকগুলেঅ সুরের সমষ্টিকে স্বরগ্রাম বলে। স্বরগ্রামের সর্বনিম্ন কম্পাঙ্কের সূচনা সুরকে টোনিক বা প্রধান সুর বলে।

শব্দের তীক্ষ্মতা কাকে বলে?

শব্দের যে বৈশিষ্ট্যের জন্য কোনো সুর চড়া বা চিকন, কোনো সুর মোটা বা খাদের তা বোঝা যায় তাকে শব্দের তীক্ষ্মতা বলে। তীক্ষ্মতা কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। যেমন – হারমোনিয়ামের বামদিক হতে ডানদিকের সুর ক্রমশ চড়া।

আড় তরঙ্গ ও লম্বিক তরঙ্গের মধ্যে পার্থক্য

আড় তরঙ্গ ও লম্বিক তরঙ্গের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ – নং আড় তরঙ্গ লম্বিক তরঙ্গ  ১ যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাই আড় তরঙ্গ। যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয় তাই লম্বিক তরঙ্গ।  ২ মাধ্যমে তরঙ্গ চূড়া ও তরঙ্গ খাঁজ উৎপন্ন করে সঞ্চালিত হয়। সংকোচন ও প্রসারণেল … Read more

অগ্রগামী তরঙ্গ ও স্থির তরঙ্গ এর মধ্যে পার্থক্য

অগ্রগামী তরঙ্গ ও স্থির তরঙ্গ এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ – নং অগ্রগামী তরঙ্গ স্থির তরঙ্গ  ১ মাধ্যমের সকল কণাই পর্যাবৃত্ত গতি লাভ করে। মাধ্যমের স্থির বিন্দুগুলো ছাড়া সকল কণাই পর্যাবৃত্ত গতি লাভ করে।  ২ প্রত্যেক কণার বিস্তার সমান। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সময়ে এদের সমান সরণ হয় না। কণাগুলোর পর্যায়কাল সমান হলেও বিস্তার সমান নয়।  ৩ … Read more

শব্দোচ্চতা কাকে বলে?

শব্দোচ্চতা বলতে শব্দ কত জোরে হচ্ছে তা বোঝায়। তীব্রতা শ্রোতার কানে যে অনুভূতি সৃষ্টি করে তাই হলো শব্দোচ্চতা এবং তা ব্যক্তি নির্ভর। একই তীব্রতার একটি শব্দ যে ব্যক্তি কানে কম শোনে তার কাছে শব্দোচ্চতা কম কিন্তু যে বেশি শোনে তার কাছে বেশি। অর্থাৎ শব্দোচ্চতা নির্ভর করে ব্যক্তির তীব্রতা যাচাই করার ক্ষমতার উপর। তীব্রতা বাড়লে শব্দোচ্চতা … Read more

মুক্ত কম্পন কাকে বলে?

যেকোনো আকার, গঠন বা আকৃতির বস্তুকে আন্দোলিত করলে বস্তুটি একটি নিজস্ব কম্পাঙ্ক রক্ষা করে স্পন্দিত হয়। এ স্পন্দনকে মুক্ত কম্পন বলে। যেমন – একটি সরল দোলকের কম্পন বা সুরশলাকার কম্পন মুক্ত কম্পন।

নিস্পন্দ বিন্দু কাকে বলে?

স্থির তরঙ্গের যেসব বিন্দুতে কণার লব্ধি তরঙ্গের বিস্তার শূন্য হয় অর্থাৎ কণাগুলোর কোনো স্পন্দন হয় না (কণাগুলো সর্বদা স্থির থাকে) তাদের নিস্পন্দ বিন্দু বলে।

স্থির তরঙ্গ সৃষ্টির শর্ত

১) স্থির তরঙ্গ সীমিত অংশে পরপর বিপরীতমুখী দুটি একই বিস্তার, একই বেগ ও একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অগ্রগামী তরঙ্গের উপরিপাতনে সৃষ্টি হয়। ২) প্রতিফলিত তরঙ্গ ও মূল তরঙ্গের প্রকৃতি অভিন্ন থাকলেও এদের মধ্যে দশা পার্থক্য 2π = 180° হতে হবে। ৩) স্থির তরঙ্গ সীমিত স্থানে পর্যায়ক্রমে উৎপন্ন ও বিলুপ্ত হয়। অনুভূমিক টানা তারে উল্লম্বভাবে আঘাত করে বা কুয়ায় … Read more

error: Content is protected !!