ডায়াটোনিক স্বরগ্রাম কাকে বলে?

একটি বিশেষ সুর ও এর এক-অষ্টকের মধ্যবর্তী ছয়টি বিশেষ সুরকে সাজিয়ে একটি স্বরগ্রাম তৈরি করা হয় যাতে সুমধুর সুরের সৃষ্টি হয়। এই স্বরগ্রামে আটটি ক্রমবর্ধমান কম্পাঙ্কের সমসংগতিপূর্ণ সুর থাকে বলে একে ডায়াটোনিক স্বরগ্রাম বলে।

শব্দোচ্চতা তীব্রতার উপর নির্ভরশীল কিন্তু সমানুপাতিক নয়

শব্দোচ্চতা বলতে শব্দ কত জোরে হচ্ছে তা বোঝায়। তীব্রতা শ্রোতার কানে যে অনুভূতি সৃষ্টি করে তাই হলো শব্দোচ্চতা এবং তা ব্যক্তি নির্ভর। একই তীব্রতার একটি শব্দ যে ব্যক্তি কানে কম শোনে তার কাছে শব্দোচ্চতা কম অন্যদিকে যে কানে বেশি শোনে তার কাছে বেশি। অর্থাৎ শব্দোচ্চতা নির্ভর করে ব্যক্তির তীব্রতার যাচাই করার ক্ষমতার উপর। তীব্রতা একটি … Read more

বীট ও ব্যতিচার এর মধ্যে পার্থক্য

বীট ও ব্যতিচার এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ – নং বীট ব্যতিচার  ১ প্রায় সমান কম্পাঙ্ক, প্রায় সমান অথবা সমান বিস্তার ও একই দিকে অগ্রগামী দুটি শব্দ তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে শব্দের লব্ধি প্রাবল্যের পর্যায়ক্রমিক হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে বীট বলে। সমান কম্পাঙ্ক ও বিস্তার বিশিষ্ট দুটি শব্দ তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে কোন স্থানে প্রবলতর শব্দ এবং কোন স্থানে নীরবতা … Read more

আদি দশা কাকে বলে?

পর্যবেক্ষণ শুরুর (t=0) মুহূর্তে বস্তুর অবস্থাকে বস্তুর আদি দশা বলে। একে সাধারণত ‘δ’ দিয়ে সূচিত করা হয়। সময়ের সাথে সাথে দশার ব্যবকলনী পরিবর্তন হলেও আদি দশা একই থাকে।

দোলনকাল কাকে বলে?

একটি পূর্ণ দোলন সম্পন্ন করতে কোনো একটি কম্পমান বস্তুর যে সময় লাগে তাকে তার দোলনকাল বলে। একে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যদি কোনো কম্পমান কণার N সংখ্যক কম্পনের জন্য সময় t হয়, তাহলে দোলনকাল, T = t∕N। দোলনকালের একক সেকেন্ড (s)।

পূর্ণ কম্পন কাকে বলে? পূর্ণ স্পন্দন কাকে বলে?

কোনো কম্পনশীল বস্তুকণা একটি বিন্দু হতে যাত্রা শুরু করে পুনরায় একই পথে সেই বিন্দুতে ফিরে এলে যে কম্পন সম্পন্ন হয় তাকে পূর্ণ কম্পন বলে।

সরল দোলগতির বৈশিষ্ট্য

১) ত্বরণ বস্তুর সরণের সমানুপাতিক। ২) ত্বরণ বস্তুর সরণের বিপরীতমুখী। ৩) ত্বরণ বস্তু কণাটির মধ্য অবস্থান অভিমুখী। ৪) এটির গতি পর্যায় গতি। ৫) এটির গতি একটি সরলরেখায় ঘটে। ৬) একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর এই গতি বিপরীতমুখী হয়।

সরল ছন্দিত স্পন্দন কাকে বলে?

কোনো গতিশীল বস্তুকণার গতি যদি এমন হয় যে, এটি এর গতিপথের কোনা নির্দিষ্ট বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে অতিক্রম করে, তাহলে সেই গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে। যদি সরলপথে পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তুকণার ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয় তাহলে বস্তুকণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। যেমনঃ সরলদোলকের গতি, কম্পনশীল সুরশলাকা, … Read more

error: Content is protected !!