সরল দোলকের সূত্রাবলি

সরল দোলকের সূত্রসমূহ কৌণিক বিস্তার 4° এর বেশি না হলে সরল দোলকের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত সূত্র চারটি প্রযোজ্য। প্রথম সূত্র—সমকাল সূত্র : কৌণিক বিস্তার ক্ষুদ্র হলে এবং দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকলে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে একটি সরল দোলকের প্রতিটি দোলনের জন্য সমান সময় লাগে। দোলনকাল কৌণিক বিস্তারের ওপর নির্ভর করে না।   দ্বিতীয় সূত্র—দৈর্ঘ্যের সূত্র : কৌণিক বিস্তার ক্ষুদ্র … Read more

তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলতে কী বুঝায়?

যখন দুটি বা তার বেশি তরঙ্গ একই সঙ্গে একই মাধ্যমের ভেতর দিয়ে এগোতে থাকে তখন এরা একটি অপরটির সাপেক্ষে স্বাধীনভাবে সঞ্চালিত হয়। মাধ্যমের যে অংশে তরঙ্গগুলো উপরিপাতিত হয়, সেই অংশে যেকোনো কণার লব্ধি সরণ প্রতিটি তরঙ্গ পৃথকভাবে ঐ কণার যে সরণ সৃষ্টি করে তাদের বীজগাণিতিক সমষ্টির সমান হয়। একে তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি বলে।

শব্দের ব্যতিচার বলতে কী বুঝায়?

দুই বা ততোধিক শব্দতরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে শব্দের লব্ধি তীব্রতা কোথাও খুব বৃদ্ধি পায়, কোথাও বা তীব্রতা অনেক হ্রাস পায়। এই ঘটনাকে শব্দের ব্যতিচার বলে। শব্দের ব্যতিচারের উদাহরণ হলো স্বরকম্প বা বিট।

স্থির তরঙ্গের উৎপত্তির কারণগুলো কী কী?

স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হতে হলে দুটি সমরূপ তরঙ্গ পরস্পর বিপরীত দিক হতে এসে উপরাপতিত হতে হবে। সমরূপ তরঙ্গ মানে তরঙ্গদ্বয়ের কম্পাঙ্ক, পর্যায়কাল, তরঙ্গবেগ এবং বিস্তার একই হতে হবে। শুধুমাত্র গতিমুখ পরস্পর বিপরীত হবে।

কালিক ব্যতিচার কাকে বলে?

বিভিন্ন কম্পাঙ্কের সমজাতীয় দুটি তরঙ্গের যুগপৎ উপরিপাতনে যে ব্যতিচার সৃষ্টি হয় তাকে কালিক ব্যতিচার বলে। এরূপ ব্যতিচারের ফলে মাধ্যমের যেকোনো নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্বক ব্যতিচার সংঘটিত হয়। এরূপ ব্যতিচারের উদাহরণ বীট সৃষ্টি হওয়ার প্রতিক্রিয়া।

কিভাবে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়?

কোনো মাধ্যমের একটি সীমিত অংশে সমান বিস্তার ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ একই মানের বেগে বিপরীত দিক থেকে অগ্রসর হয়ে একে অপরের ওপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে। একটি তারের এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে ওপর নিচে আড়াআড়িভাবে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং … Read more

error: Content is protected !!