প্রান্তিক বেগ কী?
কোনো সান্দ্র প্রবাহী দিয়ে যদি কোনো গোলক ধ্রুব বেগ নিয়ে পতিত হতে থাকে তবে ঐ বেগই হবে প্রান্তিক বেগ বা অন্ত্যবেগ।
কোনো সান্দ্র প্রবাহী দিয়ে যদি কোনো গোলক ধ্রুব বেগ নিয়ে পতিত হতে থাকে তবে ঐ বেগই হবে প্রান্তিক বেগ বা অন্ত্যবেগ।
পানির মধ্যে কাচনল ডুবালে নলের ভিতর কিছু পানি পানির মুক্ত তল থেকে উপরে উঠে যায়। নলের ভিতরকার পানির উচ্চতা বা গভীরতা নলের ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করে। ব্যাসার্ধ কম হলে নলের অভ্যন্তরে পানির অধিক্ষেপ বেশি ঘটে। এ কারণে পানির মধ্যে কাচনল ডুবালে অপেক্ষাকৃত সরু নলের অভ্যন্তরে পানি বেশি উপরে উঠে।
বৃষ্টির ফোঁটা যখন বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে পড়তে থাকে অভিকর্ষের কারণে এর বেগ বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সান্দ্রতার কারণে এর উপর বায়মন্ডলের বাধাদানকারী বলও বৃদ্ধি পেতে থাকে। এক সময় ফোঁটাটির নিট ত্বরণ শূন্য হয়। ফোঁটাটি তখন ধ্রুব বেগ নিয়ে পড়তে থাকে। এই বেগকে অন্ত্যবেগ বা প্রান্তিক বেগ বলে। সুতরাং অন্ত্যবেগ প্রাপ্তির কারণে অবাধভাবে পতনশীল বৃষ্টির ফোঁটা … Read more
সরল দোলকের ক্ষেত্রে একটি ক্ষুদ্র ভারী বস্তুকে পাকহীন হালকা সরু সুতার সাহায্যে কোনো দৃঢ় অবলম্বন থেকে ঝুলানো হয়। এ দোলকের ক্ষেত্রে কৌণিক বিস্তার 4° এর মধ্যে হতে হবে। যেসব দোলকের কৌণিক বিস্তার 4° এর বেশি, সেসব দোলক সরল দোলক নয়। অর্থাৎ কৌণিক বিস্তারের সীমাবদ্ধতার কারণে সব দোলক সরল দোলক নয়।
সান্দ্রতা সহগের একক Nsm-2 বা Pa-s।
শীতল পানির চেয়ে গরম পানির গতি দ্রুততর হয়। এর কারণ তরলের প্রবাহগতি নির্ভর করে এর সান্দ্রতা ধর্মের উপর। যে তরলের সান্দ্রতা যত কম তার দ্রুতি তত বেশি। পানিকে উত্তপ্ত করা হলে এর সান্দ্রতা সহগ হ্রাস পায়, ফলে এর গতি দ্রুততর হয়।
যে সমীকরণের সাহায্যে কোনো রাশির মাত্রা প্রকাশ করা হয়ে থাকে তাকে মাত্রা সমীকরণ বলে।
আমরা জানি, সরল দোলকের সমীকরণ, T = 2π√(L÷g) দোলনকাল T এর কার্যকর দৈর্ঘ্য L এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভর করে। L বৃদ্ধি পেলে T বৃদ্ধি পায় এবং L হ্রাস পেলে T হ্রাস পায়। দোলন ঘড়ি সাধারণ সময়ে প্রতি ঘণ্টায় 30টি দোলন দেয়। অর্থাৎ দোলনকাল T = 2s। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকায় L বাড়ে তাই … Read more