ধনুকের রশি টেনে তীর ছোঁড়ার সময় কিভাবে শক্তির রূপান্তর ঘটে?

আমরা যখন ধনুকের রশি ধরে টানি, তখন আমাদের শরীরের রাসায়নিক শক্তি তীরটিকে পিছনের দিকে অর্থাৎ আমাদের দিকে সরাতে কৃতকাজ ব্যয় হয় যা আমাদের দিকে তীরের সর্বোচ্চ অবস্থানে বিভব শক্তিরূপে জমা থাকে। যখন তীর ছোঁড়া হয় তখন এই বিভবশক্তি গতিশীল তীরের গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই গতিশক্তি ধনুকের তীরটিকে কোনো বাধার মধ্যে প্রবেশ করাতে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহৃত … Read more

প্যাচযুক্ত পানির কল যা ঘুরিয়ে খুলতে হয়, সাবানযুক্ত ভেজা হাতে তা খোলা কষ্টকর কেন?

প্যাঁচযুক্ত পানির কল যা ঘুরিয়ে খুলতে হয়, সাবানযুক্ত ভেজা হাতে তা খোলা কষ্টকর। কারণ পানির কল ঘুরিয়ে খোলার ক্ষেত্রে কল ও হাতের মধ্যকার ঘর্ষণ বল কাজ করে। শুকনো হাতে কলটি খোলার সময় ঘর্ষণ বলের মান বেশি হয় ফলে তা সহজে খোলা যায়। কিন্তু সাবানযুক্ত ভেজা হাতে খোলার সময় হাত ও কলের মধ্যকার ঘর্ষণ বলের মান … Read more

কোনো বস্তুর বিভব শক্তি 60 J বলতে কি বুঝায়?

কোনো বস্তুর বিভব শক্তি 60 J বলতে বোঝায় যে, বস্তুটিতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ 60 J এবং ঐ বস্তুটি স্বাভাবিক অবস্থায় পৌছাতে 60 J কাজ সম্পাদন করে।

গ্যালিলিও নিউটনীয় যুগকে বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করা হয় কেন?

গ্যালিলিও নিউটনীয় যুগে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা ঘটে। এ সময়ে আলো, বিদ্যুৎ, চুম্বক, শব্দ, তাপ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রায়োগিক কাজ শুরু হয়। বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গাণিতিক তত্ত্ব নির্মাণ এবং বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যতা যাচাইয়ের বৈজ্ঞানিক ধারা সূচনা করেন। আর নিউটন এর পূর্ণতা আনেন। তাদের এই প্রবর্তিত ধারায় বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলকে সূত্রাকারে সহজে উপস্থাপন করা যায়। তাই … Read more

আর্কিমিডিসের মৃত্যু পরবর্তী সময়কে বিজ্ঞানের বন্ধ্যাকাল বলা হয় কেন?

আর্কিমিডিসের মৃত্যুর পর কয়েক শতাব্দীকাল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার মন্থর গতিতে চলে। আর্কিমিডিস মৃত্যুবরণ করেন ২১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। খ্রিস্টপূর্ব ২১২ এর পরবর্তী সময় থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত ইউরোপে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার পুনর্জীবন ঘটেনি। তাই এ সময়কে বিজ্ঞানের বন্ধ্যাকাল বলা হয়।

এস.আই. একক কাকে বলে?

বৈজ্ঞানিক তথ্যের আদান-প্রদান ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের জন্য সারা বিশ্বে মাপজোখের একই রকম আদর্শের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এ কারণে 1960 সাল থেকে দুনিয়া জোড়া বিভিন্ন রাশির একই রকম একক চালুর সিদ্ধান্ত হয়। এককের এই পদ্ধতিকে বলা হয় এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা এস.আই পদ্ধতি।

মৌলিক ও লব্ধ রাশির পার্থক্য কি?

যে সকল রাশি স্বাধীন, অন্য কোনো রাশির উপর নির্ভর করে না, তাকে মৌলিক রাশি বলে। আর যে সকল রাশি মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত হয় তাকে লব্ধ একক বলে। মৌলিক রাশির একক মৌলিক একক এবং লব্ধ রাশির একক লব্ধ একক।

ব্যাসার্ধ ভেক্টর কাকে বলে?

প্রসঙ্গ কাঠামোর মূলবিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টর দিয়ে নির্দেশ করা হয় তাকে ঐ বিন্দুর অবস্থান ভেক্টর বলে। অবস্থান ভেক্টরকে অনেক সময় ব্যাসার্ধ ভেক্টর বলে।

error: Content is protected !!