আলোর প্রতিফলনের সূত্র
প্রথম সূত্র আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে অবস্থান করে। দ্বিতীয় সূত্র প্রতিফলন কোণ ও আপতন কোণের সমান।
প্রথম সূত্র আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে অবস্থান করে। দ্বিতীয় সূত্র প্রতিফলন কোণ ও আপতন কোণের সমান।
লেন্সের উভয় পৃষ্ঠই এক একটি নির্দিষ্ট গোলকের অংশ। প্রত্যেক গোলকের কেন্দ্রকে ঐ পৃষ্ঠের বক্রতার কেন্দ্র বলে।
আলোকরশ্মি ঘন থেকে লঘুতর মাধ্যমে গমনের সময় একটি নির্দিষ্ট আপতন কোণের জন্য প্রতিসরণ কোণ 90 ডিগ্রী হয় অর্থাৎ প্রতিসৃত রশ্মি বিভেদতল ঘেঁষে যায়। ঐ আপতন কোণকে ক্রান্তি কোণ বলে।
দন্ত চিকিৎসায় অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।
যদি একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি কোনো মসৃণ তলে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছে বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় তবে এ ধরনের প্রতিফলনকে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন বলে।
কর্ণিয়া ও চক্ষু লেন্সের মধ্যবর্তী স্থান যে স্বচ্ছ লবণাক্ত জলীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে তাকে অ্যাকুয়াস হিউমার বলে।
কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোকরশ্মিগুচ্ছে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তা হলে ওই দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বা বিম্ব বলে।
যে ত্রুটির কারণে চোখ দূরের জিনিস ভালোভাবে দেখতে পায় না কিন্তু কাছের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া বলে।