শরিয়তের উৎস কয়টি ও কি কি?
শরিয়তের উৎস চারটি। যথাঃ
শরিয়তের উৎস চারটি। যথাঃ
পৃথিবীতে বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর প্রতি পবিত্র কুরআন নাযিলের পূর্বে তা পৃথিবীর নিকটতম আসমানের বাইতুল ইযযাহ নামক স্থানে সংরক্ষিত ছিল।
হাদিস বলতে মহানবি (স.)-এর কথা, কাজ ও মৌন সমর্থনকে বোঝায়। হাদিস আরবি শব্দ। এর অর্থ কথা, বাণী ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বাণী, কর্ম ও মৌন সম্মতিকে হাদিস বলা হয়। এটি ইসলামি জীবনব্যবস্থার দ্বিতীয় উৎস। আল কুরআনের পরই এর স্থান। এটি আল-কুরআনের ব্যাখ্যা স্বরূপ। রাসুল (সঃ) এর নবুয়াতী জীবনের সকল কথা, কাজ এবং … Read more
ঈমান কাকে বলে? ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে অন্তরে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করা এবং তদনুযায়ী আমল করাকে ইমান বলে।ঈমান অর্থ বিশ্বাস। ইসলামি শরীয়তের সকল বিষয়গুলো মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করা ও মনে চলা বা কাজে প্রকাশ করার নাম ঈমান।এক আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করা, তার প্রেরিত কিতাবসমূহ, নবী রাসুলগণ, ফেরেশতাগণ, মৃত্যু, কিয়ামত … Read more
যে ব্যক্তি সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, তাকেই নাস্তিক বলে। তিনি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করেন এবং প্রাকৃতিক উপায়ে সবকিছুর ব্যাখ্যা দেন। সাধারণভাবে নাস্তিকদের ধর্মহীন বলে বিবেচনা করা যায়। অর্থাৎ তারা কোনো ধর্মকেই বিশ্বাস করেন না। সকল নাস্তিকদের মধ্যে মিল হলো তারা সবাই সৃষ্টিকর্তাকে অবিশ্বাস করেন।
আল-আসমাউল হুসনা বলতে আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহকে বোঝায়। আরবি ভাষার ‘আল-আসমা’ শব্দটি ‘ইসম’ শব্দের বহুবচন। ‘ইসম’ শব্দের অর্থ নাম। আর হুসনা শব্দটি ‘হুসনুন’ শব্দের বহুবচন। ‘হুসনুন’ অর্থ সুন্দর। সুতরাং আল-আসমাউল শব্দের অর্থ সুন্দর নামসমূহ। আল্লাহ তায়ালা একাধারে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা, দয়াবান, ক্ষমাশীল, শাস্তিদাতা ও পরাক্রমশালী। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা ও সর্বশক্তিমান। তার আরও অনেক গুণবাচক নাম … Read more
হজ্জ্বের জন্য যাত্রা মুহাম্মদ (সাঃ) ১০ বছর যাবৎ মদীনায় বাস করেন এবং এই সময়ের মধ্যে তিনি একবারও পূর্ণাঙ্গ হজ্জ্ব পালন করেননি। যদিও এর পূর্বে তিনি দুইবার উমরাহ পালন করেছিলেন। এরপর কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াত: এবং মানুষের মধ্যে হজ্বের জন্যে ঘোষণা প্রচার কর। তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত … Read more
ইসলামের রুকন পাঁচটি। যথাঃ