ভাষাভিত্তিক বুদ্ধির অভীক্ষা কাকে বলে?
যে বুদ্ধি অভীক্ষায় ভাষা অপরিহার্য তাকে বাচনিক বা ভাষাভিত্তিক বুদ্ধি অভীক্ষা বলে।
যে বুদ্ধি অভীক্ষায় ভাষা অপরিহার্য তাকে বাচনিক বা ভাষাভিত্তিক বুদ্ধি অভীক্ষা বলে।
বুদ্ধ্যঙ্কের পরিবর্তন কখনো কখনো সম্ভাব্য ত্রুটির সীমাকে অতিক্রম করে। যে সমস্ত কারণে বুদ্ধ্যঙ্কের পরিবর্তন দেখা যায় সেগুলি নিম্নরূপ – ১) বুদ্ধ্যঙ্ক 140 এর উপরে অত্যন্ত উচ্চমান সম্পন্ন বা প্রতিভাবান। ২) বুদ্ধ্যঙ্ক 120 – 139 অতি উন্নত বুদ্ধিমান বা উচ্চ মেধাসম্পন্ন। ৩) বুদ্ধ্যঙ্ক 110 – 119 বুদ্ধিমান বা মেধাবী। ৪) বুদ্ধ্যঙ্ক 100 – 109 স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন। … Read more
উইলিয়াম স্টার্ন বুদ্ধির পরিমাণ সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করার জন্য একটি সূচকের ধারণা করেন। এই সূচককে বলা হয় বুদ্ধ্যঙ্ক। বুদ্ধ্যঙ্ক বলতে মানসিক বয়স এবং সাধারণ বয়সের অনুপাতকে বোঝায়। তবে সুবিধার জন্য এই অনুপাতকে 100 দিয়ে গুণ করা হয়। অর্থাৎ বুদ্ধ্যাঙ্ক (IQ) = (মানসিক বয়স ÷ সাধারণ বয়স) × 100
যে বুদ্ধি অভীক্ষায় ভাষা যুক্ত এবং ভাষা বর্জিত উভয় ধরনের প্রশ্ন দেখা যায় তাকে যৌথ অভীক্ষা বলে। এর উদাহরণ হলো ভেস্কলার বিলিভিউ বুদ্ধি অভীক্ষা।
মৌজা” জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বহুল প্রচলিত একটা শব্দ। CS জরিপের সময় থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া বা মহল্লা আলাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দেয়া হয়।আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। মৌজা হচ্ছে রাজস্ব আদায়ের সর্বনিম্ন একক এলাকা। মুঘল আমলে কোন পরগনা বা রাজস্ব জেলার রাজস্ব আদায়ের একক হিসেবে … Read more
ইংল্যান্ডের ম্যাঞ্চেস্টার এর মতো ভারতের গুজরাট রাজ্যের আমেদাবাদ অঞ্চল কার্পাস বস্ত্র উৎপাদন ও রপ্তানিতে উন্নতি লাভ করেছে। দুটি স্থানের মধ্যে কিছু সাদৃশ্য থাকায় আমেদাবাদকে ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার বলা হয়। এদের মধ্যকার সাদৃশ্যগুলি হলো – অবস্থানগত সাদৃশ্যঃ ম্যাঞ্চেস্টার মার্শেই নদীর তীরে এবং আমেদাবাদ সবরমতী নদীর তীরে অবস্থিত। জলবায়ুগত সাদৃশ্যঃ ম্যাঞ্চেস্টার ও আমেদাবাদ উভয় শহরেই আর্দ্র জলবায়ু বিরাজ করে। বন্দরের … Read more
যেসব শস্যের বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়, তাদের তৈলবীজ বলে। ভারতে উৎপন্ন তৈলবীজগুলি হলো সরিষা, তিল, তিসি, সয়াবিন, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
কৃষি জমির স্বাভাবিক উর্বরতা বজায় রাখার জন্য যে বিজ্ঞান সম্মত কৃষি ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট ক্রমে, নির্দিষ্ট ধরনের ফসল চাষের পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তাকে শস্যাবর্তন কৃষি পদ্ধতি বলে।