চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কে প্রবর্তন করেন? চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের শর্তসমূহ

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কে প্রবর্তন করেন? বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন করেন লর্ড কর্নওয়ালিস। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করা হয় ১৭৯৩ সালে। ব্রিটিশরা ভারতে শাসন শুরুর পর থেকেই এখানকার প্রচলিত দীর্ঘদিনের নানা প্রথা আইনকানুন বিলোপ করে নতুন আইনের প্রবর্তন করে। এ রকমই একটি আইন বা বিধান হলো চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের শর্তসমূহ

পানি দূষণের উৎস

প্রাকৃতিক উৎসসমূহঃ জীবজন্তু ও গাছপালার মৃত্যুজনিত পদার্থ, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে উদ্ভূত পদার্থ, পাহাড় ও ভূমির ক্ষয়ে পদার্থসমূহ পানিবাহিত হয়ে নদীতে এসে পড়ে এবং নদীর পানি দূষিত হয়। কৃত্রিম উৎসসমূহঃ কলকারখানা, শিল্পঞ্চল থেকে নির্গত পদার্থ, মানুষের মলমূত্র, গৃহপালিত পশুর খাবার অবশেষ নদীর পানিতে মিশে ইহাকে দূষিত করে।

পানির প্রাকৃতিক উৎস

বৃষ্টির পানিঃ প্রাকৃতিক উৎসগুলির মধ্যে একমাত্র বৃষ্টির পানিই বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। কিন্তু কলকারখানার নিকটবর্তী বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত কার্বন, নাইট্রোজেন ও সালফার ডাইঅক্সাইডসমূহ বৃষ্টির পানির সাথে দ্রবীভূত হয়ে অম্লবৃষ্টির মাধ্যমে পৃথিবীর মাটিতে ফিরে আসে। নদীর পানিঃ বৃষ্টির পানি পৃথিবীর মাটির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীতে প্রবেশ করে। মাটির উপর দিয়ে প্রবাহিত হবার সময় মাটির মধ্যে উপস্থিত Na, K, … Read more

সোলার কুকারের সুবিধা ও অসুবিধা

সোলার কুকার এক প্রকার বাক্স। যার মধ্যে সূর্যকিরণ থেকে সংগৃহীত তাপ ব্যবহার করে রান্না করা হয়। ফলে কোন প্রচলিত জ্বালানির প্রয়োজন হয় না। সোলার কুকারের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি নিম্নরূপ – সোলার কুকারের সুবিধা ১) জ্বালানী সাশ্রয় ও দূষণ প্রতিরোধ২) কম তাপমাত্রার ফলে খাদ্যগুণ বজায় থাকা৩) শ্রমের সাশ্রয় হয়৪) দুর্ঘটনার সম্ভাবনা নেই৫) রান্না ৪-৫ ঘণ্টা গরম … Read more

ওয়াটার গ্যাস কি?

শ্বেত-তপ্ত (1000°C) কোকের মধ্যে দিয়ে স্টীম পাঠালে, তাপশোষক বিক্রিয়ায়, হাইড্রোজেন ও কার্বন মনোক্সাইডের মিশ্রণ উৎপন্ন হয় যাকে ওয়াটার গ্যাস বলে। এর সংযুতি হলো –হাইড্রোজেন = 48%কার্বন মনোক্সাইড = 42%নাইট্রোজেন = 6%কার্বন ডাইঅক্সাইড = 3%মিথেন = 1% এর ক্যালরি মান 300 B.Th.U./1b। জ্বালানি হিসাবে, হাইড্রোজেনের উৎস হিসেবে এবং ধাতু শিল্পে বিজারক হিসাবে ওয়াটার গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

সেরিব্রাল পালসি কাকে বলে? সেরিব্রাল পালসির বৈশিষ্ট্য এবং সেরিব্রাল পালসির প্রকারভেদ

সেরিব্রাল পালসি কাকে বলে? সেরিব্রাল পালসি (Cerebral Palsy) হলো এক ধরনের স্নায়বিক ভারসাম্যহীনতা যা বাচ্চাদের মস্তিষ্ক গঠনের সময় কোনো প্রকার আঘাতজনিত কারণে বা স্নায়ুকোষের ঠিকমতো কাজ না করার কারণে ঘটে থাকে। সেরিব্রাল পালসির জন্য শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নড়াচড়া, পেশির সক্ষমতা, কোঅর্ডিনেশন বা ভারসাম্য, সব কিছুই ব্যাহত হয়। সেরিব্রাল পালসি একটি সমন্বয়িত শব্দ, যার মধ্যে রয়েছে কিছু … Read more

লোকনিরুক্তি কাকে বলে?

কোনো অপরিচিত শব্দ যখন ধ্বনিগত সাদৃশ্য আছে এমন একটি পরিচিত শব্দের রূপ ধারণ করে, তখন তাকে লোকনিরুক্তি বলে। যেমনঃ পোর্তুগিজ আনানস > আনারস। অথবা, দীর্ঘ সময় ধরে ভিন্ন ভাষা সংযোগ এবং পারিপার্শ্বিক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ফলে কোন একটি শব্দ অন্য একটি শব্দের দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়, ফলে নতুন শব্দটি আমাদের কাছে পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, তাকেই লোকনিরুক্তি … Read more

error: Content is protected !!