সংকর জীব কাকে বলে?

দুটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের মধ্যে প্রজনন সৃষ্ট সন্তানদের সংকর জীব বলে। সংকর জীব সর্বদা হেটারোজাইগাস প্রকৃতির। বিপরীত বৈশিষ্ট্যের জীবদের সংকরায়ণ সৃষ্ট প্রথম সন্তানদের F1 জনু বা প্রথম সংকর পুরুষ বলে। F1 জনুর সংকর জীবদের মধ্যে আন্তঃপ্রজননে সৃষ্ট জীবদের F2 জনু বা দ্বিতীয় সংকর পুরুষ বলে।

প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য কি?

কোনো হেটারোজাইগাস জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন দুটি জিনের মধ্যে যে জিনটির বৈশিষ্ট্য অপ্রকাশিত থাকে তাকে প্রচ্ছন্ন জিন এবং উক্ত জিনের বৈশিষ্ট্যকে প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য বলে। যেমন, Tt জিনোটাইপ বিশিষ্ট হেটারোজাইগাস মটরশুঁটি উদ্ভিদের t জিন এবং এর দ্বারা অপ্রকাশিত ‘ছোট’ বৈশিষ্ট্য প্রচ্ছন্ন।

জিনোম কাকে বলে? কাজ, গবেষণা, গবেষণার সুবিধা

জিনোম কাকে বলে? কোনো প্রজাতির জীবের এক সেট হ্যাপ্লয়েড(n) ক্রোমোসোমে বিদ্যমান জিনের সমষ্টিকে জিনোম বলে অথবা জীবের একটি জননকোষের ক্রোমোসোমে বিদ্যমান জিনের সমষ্টিকে জিনোম বলে। জিনোম সংজ্ঞা জিনোম হল একটি জীবের সমস্ত জিন এবং জিনগত উপাদানের সমষ্টি। এটি একটি জীবের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ নির্ধারণ করে। জিনোম DNA দিয়ে তৈরি, যা একটি দীর্ঘ, সর্পিল আকৃতির অণু। … Read more

ব্যাক ক্রস কাকে বলে?

F1 জনুর জীব এবং তার মূল পিতৃ-মাতৃর মধ্যে অথবা পিতৃ-মাতৃর অনুরূপ জিনোটাইপ বহনকারী কোনো জীবের মধ্যে সংঘটিত ক্রসকে ব্যাক ক্রস বলে। যেমন – AaBb × AABB অথবা AaBb × aabb

দ্বি-সংকর ক্রস বা ডাইহাইব্রিড ক্রস কাকে বলে?

জিনতত্ত্বের কোনো পরীক্ষায় যখন দুইজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় রেখে ক্রস বা সংকরায়ণ ঘটানো হয় তখন তাকে দ্বি-সংকর ক্রস বা ডাইহাইব্রিড ক্রস বলে। যেমন – হলুদ বর্ণ ও গোলাকৃতির বীজ বিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের সাথে সবুজ বর্ণ ও কুঞ্চিত বীজ বিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের ক্রস।

সেক্স ক্রোমোসোম কাকে বলে?

যেসব ক্রোমোসোম জীবের লিঙ্গ নির্ধারণ করে অর্থাৎ জীবের পুরুষ কিংবা স্ত্রী বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে তাদের সেক্স ক্রোমোসোম বলে। যেমন – মানুষের ২৩ জোড়া ক্রোমোসোমের মধ্যে মাত্র ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোসোম। এদের X ও Y দ্বারা প্রকাশ করা হয়। মানুষের কোনো জাইগোটে (ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনে সৃষ্ট ভ্রূণকোষ) XY থাকলে পুত্র সন্তান এবং XX থাকলে কন্যা … Read more

স্পোরুলেশন পদ্ধতি কাকে বলে?

যে পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি জীবের কোষের প্রোটোপ্লাজম বহু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুজীব বা স্পোর গঠন করে তাকে স্পোরুলেশন বলে। অনুকূল পরিবেশে প্রতিটি স্পোর থেকে একটি করে নতুন জীব সৃষ্টি হয়। অ্যামিবা, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি জীবে স্পোরুলেশন ঘটে।

error: Content is protected !!